× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঈদে নওশাবা

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৬:৪০ পিএম

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৭:১১ পিএম

ঈদে নওশাবা

নারী পাচারের ঘটনা কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমা ‘মেঘনাকন্যা’। বেশ কয়েকবার সিনেমাটির মুক্তির তারিখ ঠিক করা হলেও শেষাবধি আলোর মুখ দেখেনি। নতুন করে জানা গেল, আগামী রোজার ঈদে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে কাজী নওশাবা আহমেদ অভিনীত সিনেমাটি। এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ফুয়াদ চৌধুরী। ইতোমধ্যে হল বুকিংও শুরু হয়েছে বলে জানান পরিচালক। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে সিনেমার ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে।

মেঘনাকন্যার আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী হয় গত ১৫ অক্টোবর কানাডার টরন্টোয়। এবার দেশের দর্শকের সামনে আসার অপেক্ষায় সিনেমাটি।

নির্মাতা ফুয়াদ চৌধুরী বলেন, ‘নারী পাচারের মতো একটি কঠিন বিষয়ের সঙ্গে গ্রামীণ পটভূমিতে বলা সিনেমাটির গল্পে রয়েছে বিনোদন। পর্দায় নানা রকমের সামাজিক বাধার সম্মুখীন হওয়া ভিন্ন দুটি অবস্থানের নারীর মাধ্যমে স্বপ্নপূরণের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।’

নওশাবা বলেন, ‘আমি অধীর আগ্রহে সিনেমাটির অপেক্ষা করছি। এ সিনেমাটি অনেক কারণেই স্পেশাল। বর্তমান সমাজে নারী পাচার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সে জায়গায় সবাইকে সচেতন করতে মেঘনাকন্যা ভূমিকা রাখবে বলে মনে করি। সিনেমাটির গল্প ও চরিত্রগুলো দারুণ। আছে বিনোদনের সব উপাদান। এটা জেনে খুবই ভালো লাগছে যে ঈদের মতো উৎসবে আমাদের সিনেমাটি মুক্তি পাবে। আমি সব দর্শককে হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানাই।’

আনোয়ার আজাদ ফিল্মস ও এস জে মোশনস পিকচার্স প্রযোজিত চলচ্চিত্রটির সহযোগিতায় আছে সুইজারল্যান্ড ও টেলিভিশন পার্টনার দীপ্ত টিভি। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাজ্জাদ হোসাইন, সেমন্তি সৌমি, কাজী নওশাবা আহমেদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মোহাম্মদ বারী, জয়শ্রীকর জয়া, সাইকা আহমেদ, আমিরুল ইসলাম, শেখ স্বপ্না, সানজিদা মিলা, উপমাসহ অনেকে।

সিনেমার সংগীতায়োজন করেছেন ব্যান্ডদল চিরকুটের ভোকালিস্ট শারমিন সুলতানা সুমি। চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য ও সংলাপ করেছেন ফাহমিদুর রহমান ও আহমেদ খান হীরক।

সিনেমার গল্প প্রসঙ্গে ফুয়াদ চৌধুরী জানান, চারপাশ ঘেরা মেঘনা নদী, ঠিক তার মাঝখানে ছোট্ট একটা দ্বীপের মতো গ্রাম উলানিয়া। শহুরে মেয়ে প্রজ্ঞা এসেছে এ গ্রামে। মনের ভেতর তার মনভাঙার মেঘ, চোখের তারায় মেজাজ হারিয়ে ফেলার ঝিলিক। নাঃ, তার একদমই এসব গ্রাম ভালো লাগছে না। কদিন পরই তার ক্যাম্পাসে আছে অনুষ্ঠান; সেখানে নাচতে চায়... যদিও তার বয়ফ্রেন্ড ব্যাপারটা ভালো চোখে দেখেনি; তাই বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে একেবারে কাটাকুটি!

একদিকে ব্রেকআপ, অন্যদিকে গ্রামের নতুন পরিস্থিতিতে খাপ না-খাওয়ানোয় শহরে ফিরতে চায় প্রজ্ঞা; কিন্তু তখনই সে মুখোমুখি হয় গ্রামের সবচেয়ে পুরোনো এক ভবনের। কয়েকশ বছর আগে মগরা যখন আক্রমণ চালাত উলানিয়ায়; সে আক্রমণ প্রতিহত করতে এ ভবন থেকে ছোড়া হতো কামানের গোলা। কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা হলো... ভবনের মধ্যে প্রজ্ঞা খুঁজে পেল টেরাকোটা। সেই টেরাকোটায় কী যে সুন্দর ড্যান্সের ফর্ম! গ্রামে এমন নাচ নাকি নাচতে পারত একজনই; নাম তার হাসি!

কিন্তু হাসি তখন দূর এক জায়গায়, বিদেশের এক অখ্যাত পতিতাপল্লীতে আটকা পড়ে আছে। প্রজ্ঞা তার খবর পায় ঠিকই কিন্তু হদিস পায় না। ওদিকে হাসিও চেষ্টা করে যায় নিজের এ ইঁদুরজীবন শেষ করতে।

এ রকম সময়ের মধ্যেই পালাতে পারে হাসি। নানা ঘটনার ভেতর দিয়ে হাসি যখন পালিয়ে আসে তার গ্রামে, প্রজ্ঞা ছুটে যায় তার কাছে। কিন্তু গ্রামের মানুষ প্রজ্ঞার মতো না। দালাল নুরুল আর গ্রামের চেয়ারম্যানের চাপে প্রজ্ঞাকে ‘খারাপ মেয়ে’ হিসেবে প্রতিপন্ন করে সবাই। হাসি আর খুশিকে রাতের অন্ধকারে জোর করে আবার পাচার করতে উদ্যত হয় তারা। তবে এবার বাধা হয়ে আসে প্রজ্ঞা। তার সঙ্গী হয় আদিল। কিন্তু চাইলেই কি আর তারা এত দিনের সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে জয়ী হতে পারবে? চাইলেই কি ভাঙতে পারবে মানুষের ভ্রান্ত ধারণার ট্যাবুগুলো? গ্রাম শহরের দুই নারীর শেকল ভাঙার গল্প নিয়ে ফুয়াদ চৌধুরী নির্মাণ করেছেন সিনেমাটি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা