প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৪:৫৭ পিএম
গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। শিল্পের সব শাখার সমন্বয়ে দেশব্যাপী বহুমুখী সাংস্কৃতিক কর্মযজ্ঞের বাস্তবায়িত রূপ গণজাগরণের সংগীতÑ এ সামগ্রিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে ৫ শতাধিক শিল্পীর অংশগ্রহণে ২-১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গণজাগরণের সংগীত উৎসব’।
শিল্প-সংস্কৃতি
ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিলক্ষে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাব আমরা উন্নতির শিখরে’Ñএ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত উৎসবটির সমাপ্তি হলো গতকাল। শুরুতে এটি ২-৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও সবার আগ্রহে সময় বৃদ্ধি করে ১১ দিন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।
এ সংগীত উৎসবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তালিকাভুক্ত ১১টি সংগীত দল পরিবেশন করে অন্তরা, সুরশ্রী, সঞ্চারী, রাগিণী, সুরধ্বনি, সুরসপ্তক, স্বরলিপি, গীতাঞ্জলি, গীতালি, সুরতরঙ্গ ও সুরলহরী। রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত, দেশের গান, ভাষার গান, গণজাগরণের গান, মুক্তিযুদ্ধের দলীয় ও একক গান পরিবেশন করেন এসব দলের শিল্পীরা। এ ছাড়া প্রতিদিন দুটি করে নৃত্যদল সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে।
এ আয়োজন নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, ‘সৃজনশীলতা আবিষ্কার করা দরকার। অনেকে অভিনব সৃজনশীলতা নিয়ে জন্মায় কিন্তু আবিষ্কার করতে পারে না। সেই সৃষ্টিশীলতা আবিষ্কার ও গণজাগরণ সৃষ্টির লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৫০ বছর পূর্তিতে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আজ সারা বিশ্বে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে, শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। মানুষ হত্যা করে কোনো বিজয় অর্জিত হতে পারে না। বাংলাদেশ মানবতার দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ জঙ্গিবাদবিরোধী দেশে পরিণত হয়েছে। আমরা চাই না বাউলদের চুল কেটে দেওয়া, উদীচীর অনুষ্ঠান ও বৈশাখে রমনার বটমূলে হামলার সেই ভয়াবহ সময় আবার আসুক। আমরা সংস্কৃতি নিয়ে সবার ঘরে পৌঁছে যেতে চাইÑ এটিই আমাদের গণজাগরণের বার্তা। সংস্কৃতির মাধ্যমে সুন্দর ও কল্যাণের চর্চা অব্যাহত থাকবে, আমরা সবার ঘরে সংস্কৃতির আলো পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই উৎসবটি করেছি। দারুণভাবেই এর সমাপ্তি হওয়ায় আমি আনন্দিত।’