প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ০০:৩৪ এএম
আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৩:৪৩ পিএম
চলছে গানের প্রতিযোগিতা ‘সেরাকণ্ঠ ২০২৩’। এর ফাইনালে স্থান পাওয়ার কথা সর্বমোট ১২ জনের। কিন্তু শেষমেশ স্থান পেলেন ১৩ জন। এবারের সেরাকণ্ঠের বিশেষ বিচারক হিসেবে আছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী, সুরকার রুনা লায়লা। মূলত এ বিশেষ বিচারকের বিশেষ পাওয়ারেই ফাইনালিস্টে ১৩ নম্বর হিসেবে জায়গা করে নেন মোসলেহ চৌধুরী পিজু। চট্টগ্রামের রাউজানের সন্তান পিজুর নামটি রুনা লায়লাই ঘোষণা করেন।
পিজুকে নিয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘যেহেতু আমি বিশেষ বিচারক, তাই আমাকে সুপারপাওয়ারও দেওয়া হয়েছিল যাতে আমি একজন বাদ পড়ে যাওয়া যোগ্য শিল্পীকে এ রাউন্ডে যুক্ত করতে পারি। তো আমার কাছে মনে হয়েছে পিজু আমাদের সঙ্গে ফাইনালিস্ট হিসেবে যেতে পারে। ও খুব ভালো গায়।’
পিজু বলেন, ‘শুরু থেকেই অনুষ্ঠানের বিশেষ বিচারক শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাম আমাকে ভীষণ স্নেহ করে আসছেন। আমার কণ্ঠ এবং গায়কিরও ভীষণ প্রশংসা করেন তিনি। তো আমি ভাবতেও পারিনি যে তিনি তার বিশেষ ক্ষমতাবলে আমাকেই নির্বাচিত করবেন সর্বশেষ ফাইনালিস্ট হিসেবে। আমি তো আমার নাম ঘোষণার পর বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলাম। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা শ্রদ্ধেয় রুনা লায়লা ম্যাম, বন্যা ম্যাম, সামিনা ম্যাম এবং ইজাজ খান স্বপ্ন স্যারের প্রতি। আল্লাহ চাইলে আমি চ্যাম্পিয়ন হয়ে সবার এ ভালোবাসার প্রতিদান দেব।’
‘ফরেস্ট হিলে এক দুপুরে’ গান দিয়ে পিজু এবারের সেরাকণ্ঠের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। এরপর বিভিন্ন রাউন্ডে ‘আবার দেখা হবে’, ‘সুইটি’, ‘নিথুয়া পাথারে’, ‘তুমি কি দেখেছো কভু’, ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’ গানগুলো পরিবেশন করেন। পিজু গান শিখেছেন তার চাচা এলআরবি ব্যান্ডের গিটারিস্ট সাচ্চুর কাছে।
তার প্রথম মৌলিক গান ‘আপন’। তার নিজের লেখা ও বখতিয়ারের সুর করা এটি। এরপর আরও অনেক মৌলিক গান গেয়েছেন পিজু।