প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:২২ পিএম
আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:২৬ পিএম
১৮তম হামিল্টন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র সিনেমা হিসেবে অফিসিয়াল সিলেকশন পেয়েছে এক শটে নির্মিত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘নট এ ফিকশন’। এটি নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা শাহনেওয়াজ খান সিজু।
উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় ৭টি দেশের সিনেমার সঙ্গে ‘বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল শর্টস’ বিভাগে লড়ার পাশাপাশি কানাডিয়ান ফিল্ম মার্কেটেও অংশ নেবে ‘নট এ ফিকশন’। আগামী ২১ থেকে ২৯ অক্টোবর কানাডার অন্টারিওতে এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
কানাডার অস্কার এমি এওয়ার্ডখ্যাত কানাডিয়ান স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস কোয়ালিফাইং ফেস্টিভাল এটি। হামিল্টনের পরে আরও দুটি কানাডিয়ান স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস কোয়ালিফাইং উৎসবে যদি সিলেকশন পায় ছবিটি তাহলে কানাডার সবচেয়ে বড় অ্যাওয়ার্ড কানাডিয়ান স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডে অংশ নিতে পারবে বাংলাদেশি সিনেমা ‘নট এ ফিকশন’।
ছবিটির সহ-প্রযোজক হিসেবে সিজুর সঙ্গে কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত চলচ্চিত্র সমালোচক ও সাংবাদিক সাদিয়া খালিদ রীতি এবং লাইলী বেগম।
উৎসবের তৃতীয় দিন অর্থাৎ আগামী ২৩ অক্টোবর সময় রাত সাড়ে ৯টায় ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে ‘নট এ ফিকশন’। সেখানে পরিচালক-প্রযোজকসহ ছবির কলাকুশলীদেরকে একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে উৎসব কর্তৃপক্ষ। এই উৎসবেরই আরেকটি মূল আকর্ষণ হচ্ছে কানাডিয়ান ফিল্ম মার্কেট, এই মার্কেটেও অংশ নেবে ‘নট এ ফিকশন’।
হামিল্টন ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত থাকার জন্য তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রযোজক-পরিচালক শাহনেওয়াজ খান সিজুকে। সব ঠিকঠাক থাকলে উৎসবে অংশ নিতে কানাডায় যাবেন প্রযোজক এবং পরিচালকসহ নট এ ফিকশন টিম।
দক্ষিণ এশিয়া থেকে একমাত্র চলচ্চিত্র হিসেবে বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল শর্ট অ্যাওয়ার্ডের জন্য বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নট এ ফিকশন লড়াই করবে স্পেন, গ্রীস, নিউজিল্যান্ড, জর্ডান, বটসওয়ানা, কেম্যান আইল্যান্ড আর যুক্তরাজ্যের ৭টি চলচ্চিত্রের সঙ্গে। মোট ৮টি চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে এই বিভাগে।
৪ মিনিট ২৫ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের এই ফিল্মটি খুবই লো বাজেটে নির্মিত হয়েছে। ১০০ ডলারেরও কম খরচে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের শ্যুটিং হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
পরিচালক শাহনেওয়াজ খান সিজু জানান, ২০২০ সালে ১৭ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালকের বন্ধুদের সহায়তায় শ্যুটিং হয়েছিল। ওইদিন তার জন্মদিন হওয়ায় ইউনিটের সব কলাকুশলী বিনা পারিশ্রমিকেই করেছিলেন নিজেদের কাজ আর এটাই ছিল, তাদের পক্ষ থেকে পরিচালকের প্রতি জন্মদিনের উপহার। সেই সময় রেদোয়ান রনির প্রোডাকশন হাউজ পপকর্ন এন্টারটেইনমেন্টে সহকারী পরিচালক এবং ক্রিয়েটিভ রাইটার হিসেবে কাজ করতেন তিনি।