প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৩ ১৪:০৭ পিএম
লিটু করিমের লেখা ও পরিচালনায় দুর্গাপূজার বিশেষ টেলিফিল্ম ‘প্রতিমা বিসর্জন’ নির্মিত হয়েছে। এতে তিনজন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা অভিনয় করেছেন। এই তিনজন হলেন শতাব্দী ওয়াদুদ, জয়রাজ এবং সাংবাদিক ও অভিনেতা আহমেদ সাব্বির রোমিও।
শতাব্দী ওয়াদুদ ২০১১ সালে গেরিলা চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত হন। জয় রাজ ২০২২ সালে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমা দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেন।
আহমেদ সাব্বির রোমিও জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় আশির দশকে একক অভিনয়ে শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয়ভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
গল্পটি কুমারপাড়ার কাহিনী নিয়ে তৈরি। এ পাড়ার প্রায় সবাই মাটির বাসন বানিয়ে জীবন চালায়। নরেন তার দুই সন্তান নিতাই ও নিমাইকে নিয়ে এ পাড়াতেই বসবাস করেন। ভালো কারিগর হিসেবে তাদের এলাকায় বেশ সুনামও রয়েছে।
এদিকে দয়ারাম বাবুর দাদা ঠাকুরদা ছিল এ এলাকার জমিদার। এখন জমিদারি না থাকলেও এলাকার মানুষ তাকে মান্য করে। দয়ারাম বাবুর একমাত্র কন্যা চন্দ্রমুখী। নরেনের ছেলে নিমাই চন্দ্রমুখীকে পছন্দ করে, কিন্তু গরিবের সন্তান বলে কখনও বলতে পারে না। মনের ইচ্ছা মনের ভেতরই পুষে রাখে।
দয়ারাম বাবুর বাড়িতে একসময় লক্ষ্মীপূজা হতো। বাবুর পত্নী গত হওয়ার পর বাড়িতে আর কখনও পূজা হয়নি। বাবু এবার ঠিক করেছেন বাড়িতে আবার লক্ষ্মী পূজা শুরু করবেন। নিমাই ভালো প্রতিমা গড়ে। নিখুঁত হাতের কাজ তাই প্রতিমা গড়ার দায়িত্ব নিমাইকে দেয়। নিমাই লক্ষ্মীর প্রতিমা গড়তে গিয়ে চন্দমুখীর মূর্তি গড়ে ফেলে। এটা নিয়ে গ্রামে হইচই পড়ে যায়। উত্তেজিত হয়ে যান দয়ারাম বাবু। নিমাইকে চন্দ্রমুখীর মূর্তি বিসর্জন দিতে বলে। রাজি হয় না নিমাই। গল্পের টানাপড়েনে শেষ পর্যন্ত নিমাই ও চন্দ্রমুখী আত্মহত্যা করে। রয়ে যায় চন্দ্রমুখীর মূর্তি।
এমন গল্পে নাটকটির শুটিং হয়েছে রাজবাড়ির পাংশা কুমারপাড়ায়। এতে আরও অভিনয় করেছেন আ খ ম হাসান।