বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২২ ১৮:০৫ পিএম
আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২২ ১৮:৩৪ পিএম
‘মনপুরা’ চলচ্চিত্র দিয়ে আলোড়ন তৈরি করা অভিনেত্রী ফারহানা মিলি। সে ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর নাটকেই নিয়মিত হয়েছেন তিনি। নানারকম চরিত্রে কাজ করে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
এদিকে রাশেদ সীমান্ত হাতেগোনা যে কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেছেন তার প্রায় প্রতিটি নাটকই কোটি কোটি ভিউ ছাড়িয়ে গেছে। নাটকপাগল দর্শকদের কাছে তিনি আজ তুমুল জনপ্রিয়। বর্তমানে টিভি মিডিয়ায় প্রথম সারির যে কয়জন অভিনেতা আছেন রাশেদ সীমান্ত তাদের মাঝে একজন।
এবার মিলি ও সীমান্তকে দেখা যাবে ‘বিয়ে বাণিজ্য’ নাটকে। প্রথমবারের মতো জুটি হয়ে আসছেন তারা।
টিপু আলম মিলনের গল্পে সুবাতা রাহিক জারিফার চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন এবি রোকন। এতে মিলি ও সীমান্ত ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন অলিউল হক রুমি, শফিক খান দিলুসহ অনেকে।
সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় শুটিং হলো নাটকটির। নাটকটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী রাশেদ সীমান্ত। বিশেষ করে ফারহানা মিলির হৃদয়ছোঁয়া অভিনয় মানুষ মনে রাখবে দীর্ঘদিন, এমনটাই মনে করছেন তিনি।
গল্পকার টিপু আলম মিলন বলেন, ‘নাটকের নায়ক জগলুল হায়দার তথ্য গোপন করে একের পর এক বিয়ে করেন এবং কিছুদিন পর পর তার অবস্থান পরিবর্তন করেন। জগলুল হায়দার কোনো সাধারণ মানুষকে বিয়ে করেন না। তিনি দূরারোগ্য রোগে আক্রান্ত অসহায় গরিব মেয়েদের বিয়ে করেন এবং তাদের ভালোমন্দ খাওয়া-দাওয়া দেখাশোনা সর্বোপরি সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন। এভাবে একের পর এক বাড়তে থাকে জগলুল হায়দারের বিয়ের সংখ্যা।
এতে তাকে সাহায্য করেন তার সহকারী সিদ্দিক। যে জগলুল হায়দারকে নতুন নতুন বিয়ের জন্য পাত্রীর খোঁজ এনে দেন। তাকে সম্মানী দেন জগলুল হায়দার। ১৬তম বিয়েতে জগলুল হায়দারের ঘরে স্ত্রী হয়ে আসেন লাবণী। লাবণীও দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত কিন্তু অন্য ১০টা সাধারণ মেয়ের মতো লাবণী চান তার স্বামীর সেবা করতে, যা জগলুলের অতীতের কোনো স্ত্রী করেননি।
অবাক হন জগলুল। ধীরে ধীরে লাবণীর প্রতি এক ধরনের ভালোলাগা কাজ করতে থাকে জগলুলের। কিন্তু জগলুল তো আরও অনেক বিয়ে করেছেন! তাহলে তাদের কি তার ভালো লাগেনি?
সে উত্তর খুঁজতে অপেক্ষা করতে হবে নাটকটি দেখার জন্য। প্রচার হবে বৈশাখী টেলিভিশনে।
প্রবা/এলএ/ এসআর