প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৩ ১৩:৩৬ পিএম
মিশন ইম্পসিবল সিনেমার জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী। এই সিনেমার প্রতিটি কিস্তি ভক্তদের মধ্যে সৃষ্টি করে উন্মাদনা। এজেন্ট ইথান হান্টের ভূমিকায় টম ক্রুজ এ সিনেমায় যেন অতিমানব এক ব্যক্তি। যিনি সব মুশকিলের আসান করেন। এরই মধ্যে মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘মিশন ইম্পসিবল : ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান’। ১২ জুলাই মুক্তি পাবে সিনেমাটি। তবে সারা বিশ্বে এই তারিখে মুক্তি পেলেও মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাটি একটু আগেভাগেই মুক্তি পাচ্ছে।
জানা গেছে, ২৬ জুন আবুধাবিতে ‘মিশন ইম্পসিবল : ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান’ প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। দেশটির এমিরেটস প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে ছবির প্রিমিয়ার। এতে অংশ নিচ্ছেন টম ক্রুজ ও সিনেমাটির নির্মাতা ক্রিস্টোফার ম্যাককুয়ারি। প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে তারা শুধু অংশ নেবেন না, রেড কার্পেটেও হাঁটবেন।
আবুধাবির সঙ্গে মিশন ইম্পসিবল ফ্রেঞ্জাইজির রয়েছে পুরোনা সম্পর্ক। এর আগে সিনেমাটির তিনটি কিস্তির বেশকিছু অংশের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে দেশটিতে। এদিকে ছবিটির নির্মাতা নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ সম্পর্কে একটি পোস্টে লেখেন, ‘আবুধাবিতে সিনেমার প্রিমিয়ার নিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া মিশন ইম্পসিবল সিনেমার সর্বশেষ কিস্তিতেও আবুধাবির দর্শক আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। আশা করছি, এবারও দারুণ কিছু হবে।’
২০২৩ সালের বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি মিশন ইম্পসিবল : ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান। বিশ্বব্যাপী প্রায় প্রত্যেক সিনেমাপ্রেমী এর মুক্তির অপেক্ষা করছে। সিনেমাটি ২০১৯ সালে ঘোষণা করা হলেও সিকুয়েল তৈরিতে অনেক সময় লেগেছে। কারণ নির্মাতাদের কোভিড মহামারি থেকে শুরু করে বহু বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।
সিনেমাটি তৈরিতে দেরি হওয়ার পর কিছুদিনের জন্য বন্ধও হয়ে যায়। অন-সেট কোভিড প্রোটোকল অনুসরণ না করায় টম ক্রুজ ও তার টিম সেই সময়ে সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন। এরপর ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে চিত্র ধারণের কাজ শেষ হয় সিনেমাটির।
সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন টম ক্রুজ, ম্যাককুয়ারি, জেজে আব্রামস, ডেভিড এলিসন ও জেক মেয়ার্স। ক্রিস্টোফার ম্যাককুয়ারি পরিচালিত সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন মাইলস টেলার, জেনিফার কনেলি এবং আরও অনেকে। সিনেমাটি ২০২৩ সালের ১২ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে।
টম ক্রুজকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘টপ গান : ম্যাভেরিক সিনেমায়। সেখানে তার সঙ্গে অভিনয় করেন হ্যালি অ্যাটওয়েল, রেবেকা ফার্গুসন এবং অন্যরা। এই ছবি পরিচালনা করেছেন ক্রিস্টোফার ম্যাককুয়ারি এবং এটি প্রযোজনা করেছেন ক্রুজ নিজে।