প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৩ ১৫:৩২ পিএম
আপডেট : ২৫ মার্চ ২০২৩ ১৫:৪১ পিএম
বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খান। ছোটবেলা থেকেই ব্রোকেন পড়িবারে বড় হন তিনি। বাবা সইফ আলি খান ও মা অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদের পর থেকেই মায়ের কাছেই মানুষ হন বলিউডের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় এই নাম। তবে বাবা-মার বিচ্ছেদ যে তার ব্যক্তি জীবনে বেশ ভালোই প্রভাব ফেলেছিল তা নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন ‘সিম্বার’ এই নায়িকা।
সম্প্রতি ‘গ্যাসলাইট’ ছবির প্রচারে গিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন সারা। সেখানে তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হন। এক পর্যায়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় বাবা-মার বিচ্ছেদের সময় তার অবস্থান কেমন ছিল। প্রশ্নটি শুনে কিছু সময় চুপ হয়ে বসে থাকেন সাইফকন্যা। এরপর দীর্ঘ এক নিঃশ্বাস নিয়ে সারা উত্তর দেন, ‘এই মুহূর্তগুলো হ্যান্ডেল করা প্রতিটি সন্তানের জন্যই কষ্টদায়ক ও চাপের। কী রেখে কী করবে। কার হাত ধরে বেঁচে থাকবে। এমন সব বিষয় মাথায় নেওয়ার মতো চাপ নিতে হয় তাদের। কারণ বয়স অনুযায়ী এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া আসলেই অসম্ভব। এমনই এক মুহূর্তের মধ্য দিয়ে আমার ও ইব্রাহীমকে যেতে হয়ে ছিল। তবে ছোটবেলায় আমরা দুজনই মায়ের কাছে থাকার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু সে সময় মাঝেমধ্যেই ঘুম থেকে উঠে আমি বাবাকে খুঁজতাম। যখন তাকে পাশে না পেতাম। আমি খুব কান্না করতাম। এরপর মা আমাকে বিভিন্ন ধরনের খেলনা দিয়ে সান্ত্বনা দিতেন। সে সময়ের কথাগুলো মনে পড়লে এখনও খুব কষ্ট পাই আমি।’
সাইফ-অমৃতার বিয়ে হয়েছিল ১৯৯১ সালে। এরপর ১৩ বছর দাম্পত্য জীবন কাঁটিয়ে ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ হয় তাদের। একযুগের বেশি সময়ে সাইফ-অমৃতার সংসারে জন্ম হয় সারা আলী খান ও ইব্রাহীম আলী খানের। এর মধ্যে বড় মেয়ে সারার জন্ম হয় ১৯৯৫ সালের ১২ অগস্ট। ইব্রাহিমের জন্ম ২০০১ সালের মার্চ মাসে। অমৃতার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১২ সালে সাইফ কারিনা কাপুরকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে এখন দুই সন্তান। বড় ছেলের নাম তৈমুর ও ছোট জহাঙ্গীর।