প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৩ ১৭:০৩ পিএম
আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৩ ১৭:০৪ পিএম
জানুয়ারিতে হংকং ট্যুরে স্টেজ মাতাচ্ছে ব্ল্যাকপিঙ্ক। ছবি : সংগৃহীত
বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারির কারণে কনসার্ট, লাইভ স্টেজ পারফরম্যান্সে
ভাটা পড়েছিল। এশিয়াও এর বাইরে নয়। বিশেষ করে চীন, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে
বেশ কঠোর বিধি-নিষেধই ছিল। বন্ধ ছিল উন্মুক্ত কনসার্ট।
আবারও সংগীতের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে এশিয়াতে ধীরে ধীরে কনসার্ট শুরু
হচ্ছে। আর এতে মূখ্য ভূমিকা রাখছে জিসো, জেনি, রোস ও লিসার কোরিয়ান পপ (কে-পপ) ব্যান্ড
ব্ল্যাকপিঙ্ক। অক্টোবর থেকে চলা তাদের এশিয়া ট্যুর আবারও চাঙা করছে কনসার্ট কালচারকে।
পরিবর্তনটি কিভাবে আসছে, তা ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রোগ্রামের দিকেই লক্ষ্য
করলে বোঝা যাবে। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়াতে যখন কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস কনসার্টে অংশ নেয়, সেখানে দর্শকদের
মাস্ক পড়া ছিল বাধ্যতামূলক। কিন্তু এ বছর এমন সময় তারা হংকং ট্যুর করছে, যখন কোভিড
মহামারি শুরুর ১ হাজার দিন পর এসে মাস্কের ওপর বিধি-নিষেধ তুলেছে তারা।
সম্প্রতি হংকং ট্যুরে মঞ্চে বলা এক কথায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে
ব্ল্যাকপিঙ্ক। সে সময় বলা হয়, ‘প্রায় ৪ বছর পর আমরা হংকংয়ে ফিরলাম
এবং আমি অবশ্যই বলবো, আমরা তোমাদের মিস করেছি।’ এ সময় ১৪
হাজারেরও বেশি ব্ল্যাকপিঙ্ক ফ্যান সেখানে উপস্থিত ছিল।
বর্তমানে কনসার্টের বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল। তবে সে পর্যন্ত বসে
থাকেনি ব্ল্যাকপিঙ্ক। নিয়েছিল কিছু সাহসী ভূমিকাও। এ ধরনের একটি কনসার্ট ট্যুরের ক্ষেত্রে
সাধারণত দলের সঙ্গে স্টাফের সংখ্যা থাকে ১০০ জনের মতো এবং তাদেরকে প্রত্যেক ট্যুরের
আগে কোভিড পরীক্ষা করতে হতো। যদি কোনো স্টাফ বা আর্টিস্টের একজনেরও কোভিড পজিটিভ হতো,
তাহলেই কনসার্ট আয়োজনে সমস্যা দেখা দিত।
এই সাবধানতা অবলম্বনে ট্যুর স্টাফদের পর্যন্ত মূল কনসার্ট থেকে দূরে
থাকতে হতো বলে জানিয়েছে ব্ল্যাক পিঙ্কের কনসার্ট আয়োজনকারী ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান
ওয়াইজি ইন্টারন্যাশনাল।
তবে হংকং তাদের প্রথম গন্তব্য ছিল না। এর আগে এশিয়া ট্যুরে সিঙ্গাপুর
ও ব্যাংককেও গিয়েছিল। সেখানেও একইভাবে উন্মাদনা ছড়িয়েছে ব্যান্ডটি। এমনকি এশিয়া ট্যুরের
অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাদের। সবমিলিয়ে এশিয়াতে তাদের চেষ্টাতে
কনসার্টগুলো আবারও গতি পাচ্ছে।
ব্ল্যাকপিঙ্কের দেখানো পথে এশিয়া ট্যুর শুরু করেছেন গ্র্যামিজয়ী মিউজিশিয়ান
হ্যারি স্টাইলস ও ভারতীয় গায়ক ও সংগীত প্রযোজক অনিরুদ্ধ। এছাড়া আরও অনেক নামিদামি সংগীত
শিল্পীদেরও আগমণ ঘটছে এশিয়াতে।
সূত্র : বিবিসি