বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২২ ১৭:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২২ ১৮:১৮ পিএম
অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদের সঙ্গে বেশ সুখের সংসারই ছিল জনপ্রিয় গায়ক এসআই টুটুলের। তাদের ভাবা হতো সুখী ও আদর্শ দম্পতি। কিন্তু এর মধ্যেই জানা গেল, তাদের সেই সংসার ভেঙে গেছে। তানিয়া আহমেদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন সংসার পেতেছেন গায়ক টুটুল।
গেল ১৮ জুলাই খবর আসে, চলতি বছরের ৪ জুলাই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন টুটুল। পাত্রী নিউইয়র্কপ্রবাসী শারমিনা সিরাজ (সোনিয়া)। সোনিয়ারও এটা দ্বিতীয় বিয়ে। নিউইয়র্কে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন তিনি। চাকরির পাশাপাশি উপস্থাপিকা ও মিডিয়ার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের যুক্ত তিনি।
বিয়ের পর শারমিনা সিরাজকে (সোনিয়া) নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এসআই টুটুল--এমনটাই ছিল খবর। তবে নতুন খবরে বিষাদ ছড়াল। গায়কের নতুন সংসারেও ভাঙনের সুর উঠেছে।
নিউইয়র্কে বসবাসরত একাধিক সূত্রে জানা গেল, স্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন না টুটুল। শুধু তা-ই নয়, পাওয়া গেল এ খবরও--রেজিস্ট্রি ছাড়াই বাসায় হুজুর ডেকে এনে শারমিনা সিরাজ সোনিয়াকে বিয়ে করেছেন টুটুল। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই নাকি বর্তমানে স্ত্রীকে নিউইয়র্কে রেখে তিনি একা আমেরিকার ফ্লোরিডাতে বসবাস করছেন।
এ বিষয়ে এসআই টুটুলের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার দ্বিতীয় স্ত্রী সোনিয়া বলেন, ‘এটা সত্যি আমরা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করিনি। বাসায় হুজুর ডেকে এনে দুজন দুজনকে বিয়ে করেছি। আমেরিকাতে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করতে হলে অনেক নিয়ম-কানুন মানতে হয়। টুটুলের আগের স্ত্রীকে নিয়ে নাকি ডিভোর্স সংক্রান্ত কি ঝামেলা আছে এখনও। এ ছাড়া আরও কিছু জটিলতা থাকায় টুটুল রেজিস্ট্রি করেনি। টুটুল আর আমি একসঙ্গে থাকছি না। কিন্তু সংসার ভেঙে যাচ্ছে এটাও বলা ঠিক না। ওর একটা প্ল্যান আছে নিজের মতো। পরিবারের জন্য টাকা-পয়সা রোজগার করতে চায়। তাই মনে হয় সে ফ্লোরিডাতে থাকছে। আমাকেও তার সঙ্গে থাকতে বলেছে। কিন্তু আমার তো এখানে চাকরি করতে হয়। ফ্লোরিডায় থাকা সম্ভব না। আমার ছেলেও এখানে পড়ছে। আমি চাইলেই তো যেতে পারি না।’
এদিকে সূত্রগুলো বলছে, বিয়ের পর ব্যবসা করবেন বলে সোনিয়াকে টাকার জন্য বারবার চাপ দিচ্ছিলেন টুটুল। এতে সোনিয়ার মনে সন্দেহ দানা বাঁধায় টাকা দিতে রাজি হননি। এরপর টুটুল কাউকে কিছু না বলেই ১ আগস্ট থেকে উধাও। এখন দুজনের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই।
স্ত্রীর বরাতে আরও জানা গেল, এসআই টুটুলের গ্রিনকার্ড এখনও হয়নি। তিনি তার ছেলেকেও বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
প্রবা/এলএ/এমআই