× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সাক্ষাৎকার

‘দর্শকের ভালোবাসাই আমাকে দায়িত্বশীল করে’

মাহমুদা বিশ্বাস

প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে

অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। ছবি: সংগৃহীত।

অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। ছবি: সংগৃহীত।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনের অভিজ্ঞতা, সাম্প্রতিক ব্যস্ততা, নতুন কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন অভিনেত্রী মনিরা মিঠু। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাহমুদা বিশ্বাস.. 

আপনার করা সাম্প্রতিক কাজ কী কী?

সাম্প্রতিক কাজের মধ্যে ওয়ারিশ, বন্ধন, তবুও মন, আমাদের বিশ্বকাপ, নিয়তির খেলা, সুতরাং, গ্যাংস্টার, বড়লোকি কারে কয়, প্রিয় পরিবার, সুখ বিলাস, অভিযানসহ আরও অনেকগুলো নাটকে কাজ করেছি। সামনে আরও বেশ কয়েকটা নতুন কাজ আসবে। দর্শক খুব দ্রুতই দেখতে পারবে সেগুলো।

তীর প্রোডাকশনের ব্যানারে প্রকাশিত পোস্টার ‘নীহারিকা সেন’ নিয়ে কী বলতে চাইবেন?

এই সিরিজটিতে একএকবার এক একটা গল্প উপস্থাপন করা হবে। অনেকটা ফেলুদার গল্পের মতো এই সিরিজ এগোবে। নিহারিকা সেন একটি ডিটেকটিভ চরিত্রটি। সিফাত নুসরাত খুবই পরিশ্রমী, কো-আর্টিস্ট হিসেবে খুবই হেল্পফুল। বাংলাদেশি আর্টিস্টরা তো কমন এক টাইপের ড্রেসে অভ্যস্ত। কিন্তু সিফাতকে এরকম ভিন্ন পোশাকে এত সুন্দর মানিয়ে যাবে আমি ভাবিনি। সিফাতের অভিনয়ে আমি সত্যিই মুগ্ধ। এই সিরিজে আমার চরিত্রটি খুবই আকর্ষণীয়। তবে আমাদের বাজেট স্বল্পতার কারণে শুটিং একদিনের মধ্যে করতে হয়েছে। একটু সময় নিয়ে দুই দিনে করলে আরও ভালো হতো। প্রতিটি পর্ব ৪০ মিনিটের করে দেখা যাবে।

গল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় কোন বিষয়গুলো? 

যে গল্প বা চরিত্র একাধিকবার করেছি সেই গল্পে কাজ করতে ভালো লাগে না। যেমন হ‍ুমায়ূন আহমেদ স্যারের ‘বৃক্ষ মানব’Ñ এটার আদলে অনেকবার অভিনয় করতে হয়েছে। তবে এটা খুবই জনপ্রিয় একটি নাটক। চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে চেষ্টা করি যেন সমসাময়িক গল্পের সঙ্গে না মিলে। একই টাইপের গল্প যেন না হয়ে যায়Ñ এটা মেনটেইন করার চেষ্টা করি।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এখনও দর্শকের ভালোবাসা একইভাবে পাওয়ার অনুভূতি কেমন? 

এই অনুভূতি এতটাই প্রখর যে, প্রতিনিয়ত আমাকে মনে করিয়ে দেয় আমি একজন অভিনেত্রী। কারণ মানুষ এখনও আমাকে পছন্দ করছে আমার কাজ দেখে। এই অনুভূতির জায়গা থেকে মনে হয় আমাকে আরও কর্মঠ হতে হবে, আরও সচেতনভাবে কাজ করতে হবে, এখনও অনেক শিখতে হবে।

আপনার জীবনী নিয়ে সিনেমা নির্মাণ হলে কী নাম রাখবেন?

অবশ্যই সিনেমার নাম রাখব ভাইজান। কারণ আমি বাবার আদর পাইনি। ছোট থেকে পেয়েছি ভাইজানকে। তিনি প্রয়াত অভিনেতা চ্যালেন্জার এএফএম তোফাজ্জেল হোসেন। আর এই সিনেমায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে। অসময়ে কীভাবে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়। ভাইজান ১৭ বছর বয়স থেকে আমাদের পাঁচ ভাইবোনের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। আমার দাদু, নানুর দায়িত্বও নিয়েছিলেন। ভাইজন সৌদি আরব থেকে এইসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল সেই তৎকালীন আমলে। সম্ভবত বাংলাদেশে ৫ জনের মধ্যে ভাইজান একজন। কতটা সংগ্রামী মানুষ হলে ছোট ছোট ভাইবোনদের মানুষ করেছেন, পড়ালেখাটাও সমানভাবে চালিয়ে গেছেন। এই বিষয়গুলো সবার আগে গুরুত্ব পাবে।

বাস্তব জীবনের মনিরা মিঠু কেমন?

বাস্তবের মিঠু একদমই মেধাবী নই। কখনও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি না। ছোটবেলায় এইম ইন লাইফ রচনা পড়েছি, কিন্তু নিজের জীবনের কোনো এইম ছিল না। মা-ছাড়া বড় হয়েছি যার কারণে এই চিন্তা কখনোই মাথায় আসেনি। ‍আমার মনে হয় যে গত মাসের চেয়ে এই মাসে আমার বুদ্ধি কিছুটা বেড়েছে। প্রতি মাসে একটু করে বুদ্ধি বাড়ে আমার। বাস্তবের মিঠু নির্বোধ বোকা, সহজ-সরল একজন মানুষ। যেকোনো বিষয় দীর্ঘ সময় চুপ থাকার পর আউটবাস্ট হই। আর আমার খুব মায়া, আমি নরম মনের একজন মানুষ।

কোন মাধ্যমে কাজ করে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন?

অবশ্যই নাটকে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছি। মনের মতো একটাই ওটিটি নাটক করেছিলাম। ১৪ অগাস্ট ঐশীর ঘটনা নিয়ে। সেখানে আমি ঐশীর মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলাম। এর বাইরে যেগুলো ওটিটির কাজ এসেছে বেশিরভাগই আমার চরিত্র পছন্দ হয়নি, সেগুলো করিনি। ওটিটিতে কাজল আরেফিন অমির ‘অসময়’ নিঃসন্দেহে আমার খুব প্রিয়। তবে অসময় কাজটা নিয়ে আমার অভিযোগ আছে, যেটা আমি অমিকে কখনও বলিনি। অসময়ে আমার এন্ডিং কোথায়? বুঝলাম মেয়েটার এন্ডিং দেখাতে চেয়েছে। কিন্তু মেয়ের এন্ডিংয়ের সঙ্গে মায়ের ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকা উচিত ছিল। অনেকের কাছেই অসময়ের এন্ডিং ভালো লাগেনি। আর সিনেমায় ফিমেল ক্যারেক্টারে পার্শ্ব চরিত্রে যারা থাকে তাদের চরিত্রটা টেক করতে পারে না। যেমন মালিক সিনেমায় আমার এত সুন্দর চরিত্র। এটা শুধু আফসোস না, সিনেমায় যারা অভিনয় করেছেন এবং সব দর্শকের আফসোস যে, পরিচালক চাইলেই আমার চরিত্রটা নিয়ে বাজিমাত করে দিতে পারতেন। এটা আফসোস থেকে যাবে যে, নায়িকা ছাড়া পার্শ্ব নারী চরিত্রগুলোর এন্ডিং থাকে না।

কোন চরিত্র এখনও করা হয়নি? এবং করতে না পারলে আফসোস থেকে যাবে?

কখনও এই আফসোস বা ইচ্ছেটা ছিল না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে একটি নাটক দেখলাম। ‘লাভ স্টোরি ৯৪’ নাটকে সেই নব্বই দশকের প্রেমের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। আরশ এবং নবীন অভিনেত্রী জীম অভিনয় করেছে। বিশেষ করে আরশের অভিনয় দেখে মনে হয়েছে ইস যদি আমার বয়সটা কম হতো তাহলে আমি আরশের নায়িকা হতে পারতাম। এই চরিত্রের আফসোস থেকে যাবে।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা