প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
বিদ্যা সিনহা মিম। ছবি:ফেসবুক থেকে
অভিনয়ের বৈচিত্র্য আর চরিত্রের প্রতি নিবেদন দিয়েই দর্শকের আস্থা অর্জন করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম। সাম্প্রতিক সময়ের কাজগুলোতে তার অভিনয়ের পরিণত প্রকাশ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ‘মালিক’-এর পর এবার বাবা দিবস উপলক্ষে নির্মিত ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’-এও সেই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন তিনি।
গত ঈদে মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত ও সাইফ চন্দন পরিচালিত ‘মালিক’ সিনেমা। মালিকে অভিনয়ে সিনেমাপ্রেমী দর্শকের মাঝে মিম তার চরিত্রের মধ্য দিয়ে আবারও মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন। সেই মুগ্ধতার রেশ কাটতে না কাটতে মিম আবারও দর্শকের মাঝে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন বাবা দিবস উপলক্ষে নির্মিত কাজী আসাদ পরিচালিত ওয়েব ফিল্ম লাইফলাইনে। ওয়েব ফিল্মটিতে মিম তার নিজের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন অনেকে দর্শক।

অনেকেই বলছেন, এই মিম আগের চেয়ে অভিনয়ে অনেক বেশি ম্যাচিউরড। আর একজন শিল্পী যখন অভিনয়ে ম্যাচিউরড হয়, তখন তাকে দিয়ে আরও বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজ করাতে হয়, তার মেধাকে কাজে লাগাতে হয়। মিম তার জীবনের সেই সময়টাই পার করছেন একজন অভিনেত্রী হিসেবে, যখন তিনি ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শতভাগ প্রস্তুত। সেসব চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য তিনি অনেক কষ্ট করতে, শ্রম দিতেও প্রস্তুত। এই ওয়েব ফিল্মে বিদ্যা সিনহা মিমের বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল আলম সবুজ। অনেক দিন পর খায়রুল আলম সবুজকে অভিনয়ে দেখে দর্শকও মুগ্ধ হয়েছেন।

‘মালিক’ এবং এরপর ‘লাইফলাইন’ দুটো প্রসঙ্গে বিদ্যা সিনহা মিম বলেন, ‘মালিক সিনেমাটি নিয়ে আমার শুরু থেকেই প্রত্যাশা ছিল যে, দর্শকের সিনেমাটি ভালো লাগবে। সিনেমাটি মুক্তির পর বেশ কয়েক দিন হলো ভিজিটেও গিয়েছিলাম, খুব কাছে থেকে দর্শকের ভালো লাগাটা অনুভব করেছি। মালিকে মুগ্ধ হয়েছেন দর্শক। এর রেশ কাটতে না কাটতেই লাইফলাইনও চলে এলো প্লাটফর্মে। লাইফলাইন প্রকাশের পর নানা মাধ্যমে আমি এতে কাজের জন্য ভীষণ সারা পেয়েছি। পরপর দুটি কাজের জন্য সবার কাছ থেকে এত সাড়া পেয়েছি, ভালোবাসা পেয়েছি, যা আমাকে আরও ভালো ভালো কাজ করার ক্ষেত্রে ভীষণ অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।

এ ছাড়াও মিম বলেন, সত্যি বলতে আমার তো অভিনয়ই পেশা। নিজেকে একদম ফিট রেখে যেকোনো ভালো চরিত্রে অভিনয়ের জন্য প্রস্তুত রাখি। প্রতিনিয়তই সিনেমাতে, ওয়েব ফিল্মে, ওয়েব সিরিজে কাজ করার প্রস্তাব আসছে। আমি কেবল আমার মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই গল্পে অভিনয় করেত চাই; যা দর্শকের কাছে ভীষণ ভালো লাগার হয়ে উঠবে, যেমনটা হয়ে উঠেছিল পরাণ, যেমনটা হয়ে উঠেছে মালিক, লাইফলাইন।