× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

‘মহিন’ হয়ে ওঠার গল্পে সোহেল মণ্ডল

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

অভিনেতা সোহেল মণ্ডল। ছবি:সংগৃহীত।

অভিনেতা সোহেল মণ্ডল। ছবি:সংগৃহীত।

কবিতার চিরায়ত রূপ ‘বনলতা সেন’ এবার ঈদুল আজহায় সিনেমার পর্দায় নতুনভাবে ধরা দিয়েছে। জীবনানন্দ দাশের অমর কবিতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে ‘মহিন’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা সোহেল মণ্ডল। চরিত্রটিতে যুক্ত হওয়ার গল্প, প্রস্তুতি ও কবিতা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন তানভির হাসান রামিম..

‘বনলতা সেন’ সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্পটা জানতে চাই?

প্রথমে অডিশনের জন্য মাসুদ হাসান উজ্জ্বল ভাই আমাকে কল করে। আমি আশা করিনি কখনও কোনো চরিত্রের জন্য তিনি আমাকে ডাকবেন। এই সিনেমার জন্য আমি তিনবার অডিশন দিয়েছিলাম। দুবার আমি একা অডিশন দিই এবং আর এবার আমার কো-আর্টিস্টের সঙ্গে অডিশন দিই। তারপর আমরা প্রায় দুই-তিন মাস রিহারসেল করি। ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে আমরা শুটিংয়ে যাই। এটাই এই সিনেমায় যুক্ত হওয়ার গল্প।

‘মহিন’ চরিত্রটি আপনাকে প্রথম কীভাবে আকৃষ্ট করেছিল? 

প্রথমে যখন আমাকে সিনেমা সম্পর্কে বলা হলোÑ আমি কিছুটা ভয় পাচ্ছিলাম যে চরিত্রটা ঠিকভাবে করতে পারব কি না । দর্শক পছন্দ করবে কি না। এরপর উজ্জ্বল ভাইয়ের থেকে গল্প সম্পর্কে জানি। তারপর আমি পুরো স্ক্রিপ্ট পড়ি। গল্পটা বোঝার জন্য আমাকে বিভিন্ন রকম এলিমেন্টস দেওয়া হয়েছিল। এটা যেহেতু একটা ফিকশনাল ক্যারেক্টারÑ আমি আগে থেকে সবকিছু জেনে বুঝে তারপর মহিন চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম।

মহিন চরিত্রের জন্য কীভাবে প্রস্তুত করেছিলেন নিজেকে?

মহিন চরিত্রটার গঠনই এমন ছিল যে শারীরিক মানসিকÑ সব দিকেই একটা বড় পরিবর্তন আনতে হয়েছিল। চুল-দাড়ি বড় করতে হয়েছিল। প্রায় চার মাস লেগে গিয়েছিল চুল-দাড়ি বড় করতে। গল্পের প্রয়োজনে কখন কী কস্টিউমÑ এটার জন্যও পুরো বছরজুড়ে একটা পরিবর্তন আনতে হয়েছিল। এক বছর, ছয় মাস আমি চুল-দাড়ি কাটাতে পারিনি।

সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে ‘বনলতা সেন’ কবিতা কি নতুনভাবে অনুভব করেছেন?

সাধারণত আমি গদ্যের পাঠক। কবিতা খুব একটা পড়া হয় না। এটা খুবই জনপ্রিয় একটা কবিতা, প্রায় নব্বই বছর হয়ে গেছে কবিতার বয়স। যুগে যুগে জনে জনে মানুষের মুখে কবিতাটি ছড়িয়ে আছে। তো কোনো না কোনোভাবে শোনা হয়েছিল। কিন্তু সিনেমা করার আগে কবিতা পড়া হয়নি। সিনেমা করতে গিয়ে কবিতার সঙ্গে আমার গভীরভাবে সংযোগ ঘটে। তার আগে উজ্জ্বল ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছিলাম, নিজের মধ্যে চরিত্রটা ধারণ করার চেষ্টা করেছিলাম। অবশ্যই কবিতার সঙ্গে আমার নতুন করে গভীর এক সংযোগ তৈরি হয়েছে, আমি আলাদাভাবে অনুভব করেছি এই কবিতাকে।

কবিতার ‘বনলতা সেন’ আর সিনেমার ‘বনলতা সেন’Ñ এই দুই উপস্থাপনার মধ্যে আপনার ব্যক্তিগত উপলব্ধি বা পার্থক্যের জায়গাটা কীভাবে অনুভব করেছেন?

কবিতার বনলতা সেন আমাদের কল্পনার চরিত্র। কিন্তু কবিতার বনলতা সেনকে যে কল্পনায় ভাবা হচ্ছে সেটা কি কোনো মানুষের অবয়ব! জীবনানন্দ দাশ তার কবিতার মাধ্যমে যেই বনলতার খোঁজ করেছিলেনÑ সিনেমার পরিচালক উজ্জ্বল ভাইও তার ক্যামেরার মাধ্যমে ঠিক একই বনলতা সেনকে খোঁজার চেষ্টা করেছেন। আর সিনেমার বনলতা সেন সম্পর্কে দর্শক ভালো বলতে পারবে।

আপনার কী মনে হয়, কোন বিশেষ কারণে দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ‘বনলতা সেন’ দেখতে চাইবেন? এই সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ কোথায়?

বিশেষ কারণ একটাই জীবনানন্দ দাশ। তিনি কবি হিসেবে আমাদের জীবনে খুবই ইন্টারেস্টিং একটি চরিত্র। তার জীবদ্দশায় অনেক কবিতা প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু এখন তিনি মারা যাওয়ার এত বছর পরেও তার কবিতার এত চর্চা রয়ে গেছে। সেই জায়গা থেকেই বলব দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখুক। সিনেমার মূল আকর্ষণ জীবনানন্দ দাশ এবং তার কবিতা।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা