প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ ১৩:০৭ পিএম
বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি ও মরক্কোর ফুটবল তারকা আশরাফ হাকিমি।ছবি: সংগৃহীত।
ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বলিউডের
জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী
নোরা
ফাতেহি এবং মরক্কোর ফুটবল তারকা
আশরাফ
হাকিমি। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী
আয়োজনে নোরার নজরকাড়া পারফরম্যান্স যেমন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে, তেমনি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও শুরু হয়েছে
নতুন জল্পনা। বিশেষ করে আশরাফ হাকিমির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন এখন সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ও বিনোদন অঙ্গনের আলোচনার অন্যতম বিষয়।
এই গুঞ্জনের সূত্রপাত মূলত ২০২৫ সালে। সে সময় মরক্কোয় অনুষ্ঠিত আফ্রিকান কাপ
অব নেশনস (আফকন) টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন নোরা ফাতেহি। এরপরই
অনেকের মধ্যে ধারণা জন্ম নেয়, মরক্কো জাতীয়
দলের অন্যতম তারকা হাকিমিকে সমর্থন করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। যদিও এ বিষয়ে
নোরা কখনও কোনো মন্তব্য করেননি।
আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি ঘটনা। ভক্তদের নজরে
আসে, হাকিমি নোরার একটি
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ‘লাইক’ দিয়েছেন। ছোট্ট এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে দুজনের সম্ভাব্য সম্পর্ক
নিয়ে জল্পনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। অনেকের ধারণা,
মরক্কোর
প্রতি নোরার বিশেষ আগ্রহের পেছনে ব্যক্তিগত কোনো কারণও থাকতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নোরার পারিবারিক শেকড়ও আলোচনায় এসেছে। কানাডায় জন্ম হলেও তিনি
বহুবার মরক্কোর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে হাকিমি মরক্কোর ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখগুলোর একজন। ফলে দুজনকে
ঘিরে ভক্তদের কৌতূহল স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে।
তবে বাস্তবতা হলো, এখন পর্যন্ত
নোরা ফাতেহি কিংবা আশরাফ হাকিমি-কেউই তাদের সম্পর্ক নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি। এমনকি
তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়ার নির্ভরযোগ্য ছবি,
প্রকাশ্য
উপস্থিতি বা সম্পর্কের পক্ষে শক্ত কোনো প্রমাণও সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখনও
গুঞ্জনের পর্যায়েই রয়েছে।
এদিকে পেশাগত জীবনে দারুণ সময় পার করছেন নোরা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে
প্রকাশিত ‘সির সির’ অ্যান্থেমে তার উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। গানটি আন্তর্জাতিক
অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং নোরার বৈশ্বিক জনপ্রিয়তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জন অবশ্য নোরার জন্য নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন
সময় নানা তারকার সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। তবে এসব বিষয়ে তিনি বরাবরই নীরব থাকতে
পছন্দ করেন এবং গুজব নিয়ে প্রকাশ্যে খুব কমই কথা বলেন।