প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩১ পিএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৮ পিএম
ক্ষণস্থায়ী কোনো আবেগের স্ফুলিঙ্গ নয়, বরং আজীবন ভালোবাসার অকৃত্রিম আর মজবুত বন্ধনই যে প্রকৃত চিরন্তনতা—সেটিই নতুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছে 'ইটারনিটি'। ছবি: ইন্ডিয়া টুডে
২০২৫ সালের আইরিশ সিনেমা ‘ইটারনিটি’, পরিচালক ডেভিড ফ্রেইন-এর এক অভিনব কল্পনার গল্প, যেখানে মৃত্যুর পরবর্তী জীবন ও ভালোবাসার দ্বন্দ্ব দেখানো হয়েছে। গল্প শুরু হয় ল্যারি ও জোআনের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন থেকে। জোআনের শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে, আর ল্যারি আকস্মিকভাবে মারা যায়। মৃত্যুর পর ল্যারি এক আফটারলাইফ স্টেশনে পৌঁছান, যেখানে মৃতরা তাদের পছন্দমতো ‘ওয়ার্ল্ড’ বেছে নিতে পারেন। ল্যারি অপেক্ষা করেন জোআনের জন্য।
কিন্তু জোআনের আগে সেখানে পৌঁছে যান তার সাবেক স্বামী লিউক, যার সঙ্গে জোআনের হারানো প্রেমের স্মৃতি জড়িত। এখন জোআনের কঠিন সিদ্ধান্তÑ কার সঙ্গে অনন্তকাল কাটাবেন : দীর্ঘ সংসারের ল্যারি নাকি তার সাবেক প্রেম লিউক? এই ত্রিভুজ প্রেম, স্মৃতি, মায়া ও বাস্তবতার সংমিশ্রণ সিনেমার মূল আকর্ষণ।
অভিনয়ে রয়েছেন এলিজাবেথ ওলসেন, মাইলস টেলার ও ক্যালাম টার্নার, যারা তরুণ শরীরে বয়স্ক মনের প্রতিফলন চমৎকারভাবে ফুটিয়েছেন। ভিজ্যুয়াল এফেক্ট ও সেট ডিজাইনÑ পুরনো হোটেল, আফটারলাইফ স্টেশন ও থিমযুক্ত জগৎ দর্শকের জন্য আনন্দদায়ক। যদিও ক্লাইম্যাক্স কিছুটা দুর্বল মনে হতে পারে, সিনেমাটি রোমান্টিক কমেডি পছন্দকারীদের জন্য উপভোগ্য এবং অনন্তকালের ভালোবাসার নতুন সংজ্ঞা তুলে ধরে।