প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০৫ পিএম
বলিউডে নিজের অবস্থান ক্রমেই আরও শক্ত করছেন কৃতি শ্যানন। গত বছরের শেষভাগে বক্স অফিস সাফল্য আর দর্শক-সমালোচকের প্রশংসায় দারুণ সময় কাটিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ধানুশের বিপরীতে অভিনীত ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমার সাফল্যের রেশ ধরেই নতুন বছর শুরু করেছেন তিনি আরও আত্মবিশ্বাস ও উদ্দীপনা নিয়ে। আর ২০২৬ সালেই কৃতির ক্যারিয়ারে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
চলতি বছর মুক্তি পেতে যাচ্ছে কৃতি শ্যাননের ক্যারিয়ারের ২০তম সিনেমা ‘ককটেল ২’। ২০১৪ সালে ‘হিরোপান্তি’ দিয়ে হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিষেকের প্রায় ১২ বছর পর এই অর্জন নিঃসন্দেহে তার অভিনয়জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তবে শুরুতে এই মাইলফলকের কথা জানতেন না কৃতি নিজেও। বিষয়টি জানতে পেরে খানিকটা বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘তাই তো! আমি সাধারণত এসব মাইলফলকের হিসাব রাখি না।’ সংখ্যার চেয়ে বরং কাজের মান, চরিত্রের গভীরতা আর গল্পের ভিন্নতাকেই বেশি গুরুত্ব দেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী।
এর আগে মুক্তি পাওয়া ‘তেরে ইশক মে’ সিনেমাটি দর্শক ও সমালোচক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তবে সেই সাফল্যের চাপ তিনি বহন করছেন না বলেই স্পষ্ট করেছেন কৃতি। ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘প্রতিটি ছবিই আলাদা। সব ছবি থেকে একই ধরনের সাড়া পাওয়ার আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। আমি এসব চাপ নিই না, কারণ প্রতিটি ছবির নিজস্ব দর্শক ও নিজস্ব পরিচয় থাকে।’
আবেগঘন ও তীব্র সম্পর্কের গল্পে ভর করে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’-এর পর ‘ককটেল ২’ কৃতির জন্য একেবারেই ভিন্ন স্বাদের কাজ। আধুনিক রোমান্টিক কমেডি ঘরানার এই ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন শহীদ কাপুর ও রাশমিকা মান্দানা। কৃতির মতে, এই ছবির দর্শক হবে আগের ছবির দর্শকদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই দুটি সিনেমার মধ্যে তুলনা করাকে তিনি অর্থহীন বলেই মনে করেন।
ক্যারিয়ারের ২০তম ছবির মাইলফলক ছুঁলেও, সংখ্যার চেয়ে নতুন গল্প আর ভিন্নধর্মী চরিত্রে নিজেকে আবিষ্কার করাতেই বেশি আগ্রহী কৃতি শ্যানন।