প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:২৫ এএম
সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘তেরে ইশক মে’-তে ধানুশের বিপরীতে কৃতি শ্যাননের উপস্থিতি যেন ঝড় তুলেছে দক্ষিণী সিনেমাপ্রেমীদের মনে। ছবিটি মুক্তির আগে ছিল ভক্ত ও সমালোচকদের একটাই জিজ্ঞাসাÑ অ্যাকশন ঘরানার চরিত্রে কৃতি আদৌ ছন্দ মিলিয়ে চলতে পারবেন কি না।
কিন্তু বড়পর্দায় তার প্রথম আবির্ভাবই বদলে দেয় সেই ধারণা। ধারালো দৃষ্টির দৃঢ়তা, শার্প স্টান্ট আর আবেগে ভরপুর অভিনয়- সব মিলিয়ে তিনি মুহূর্তেই নীরস করে দেন সব সংশয়। সমালোচকেরা বিস্মিত, দর্শকেরা আলোচনায় ব্যস্ত- এ যেন কৃতির ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা।
ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ছবি দেখার পর দক্ষিণী সিনেদর্শকেরা সোচ্চার হয়েছেন স্বজনপ্রীতির প্রসঙ্গ নিয়েও। তাদের দাবি- বলিউডে নেপোটিজমের দাপটে বহু মেধাবী অভিনেত্রী শক্তিশালী চরিত্রে নিজেদের প্রমাণের সুযোগই পান না। ‘তেরে ইশক মে’ ঘিরে তাই আগাম আলোচনা কম হয়নি। অনেকে সন্দিহান ছিলে- একেবারে অ্যাকশনভিত্তিক চরিত্রে কৃতি কতটা বিশ্বাসযোগ্য হবেন!
কিন্তু মুক্তির পর সেই সংশয় আর টেকেনি। ‘লেডি কবীর সিং’ অবতারে কৃতিকে একবাক্যে দুর্দান্ত বলে মেনে নিয়েছেন সবাই। এমন কথাও শোনা গেছেÑ এই ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে কৃতি আবার প্রমাণ করলেন, দক্ষতা দিয়ে তিনি আলিয়া ভাটকেও টপকে যেতে পারেন; শুধু সঠিক চরিত্রের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।
দর্শকের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়েছেন অভিনেত্রী নিজেও। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন- ‘নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলে কখনও সত্যিকারের সম্ভাবনা জানা যায় না। এই ছবিতে আমি ঝুঁকি নিয়েছি, নিজেকে নতুনভাবে ঘষে তুলেছি। দর্শক আমার চেষ্টা পছন্দ করেছেন- তা জানতেই সবচেয়ে ভালো লাগছে।’ তবে ভক্তদের তোলা ‘স্বজনপ্রীতি’ বিতর্কটি তিনি এড়িয়ে গেছেন কৌশলে।
আনন্দ এল রাইয়ের পরিচালনায় নির্মিত ছবিটিতে ধানুশ-কৃতির পাশাপাশি আছেন প্রকাশ রাজ, মাহির মহিউদ্দিন, সুশীল দাহিয়াসহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা।