প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০২৫ ১১:০৬ এএম
ছোটপর্দার জনপ্রিয় মুখ মেহজাবীন চৌধুরী এখন বড়পর্দারও পরিচিত নাম। টেলিভিশনে দীর্ঘ পথচলার পর সিনেমায় অভিষেকের মাধ্যমে নিজের অভিনয় দক্ষতার নতুন প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের ধারাবাহিকতায় দর্শকের ভালোবাসাও বেড়েছে বহুগুণ। তারকাখ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেও মেহজাবীন থেকে গেছেন বিনয়ী ও মানবিক।
নিয়মিত অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি নিজেকে যুক্ত রেখেছেন নানান সামাজিক উদ্যোগে। সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থেকে শুধু কাজের খবরই নয়, বরং মানবিক বার্তাও পৌঁছে দেন অনুরাগীদের কাছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স ও টিকটকে তার অনুসারীর সংখ্যা মিলিয়ে দুই কোটির কাছাকাছি। প্রতিদিনই অনুরাগীদের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তিনি, কখনও নিজের কাজের আপডেট দেন আবার কখনও জীবনযাপনের ছোট ছোট মুহূর্ত শেয়ার করেন। সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক হলোÑ রক্তের প্রয়োজন এমন অসুস্থ রোগীদের জন্য তিনি নিয়মিত পোস্ট দেন ও রক্ত সংগ্রহে সহযোগিতা করেন। দেশের যেকোনো প্রান্তে কেউ সাহায্য চাইলে নিজের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে তা ছড়িয়ে দেন, যা অনেক দিন ধরেই চালিয়ে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে।
মেহজাবীনের বড়পর্দার যাত্রা শুরু হয় ‘সাবা’ সিনেমা দিয়ে, মাকসুদ হোসাইনের পরিচালনায়। ছবিতে তিনি অভিনয় করেন এক সাধারণ পরিবারের মেয়ে সাবার চরিত্রে; যার বাবা নিখোঁজ, মা হুইলচেয়ারে আর জীবন চলে অনিশ্চয়তা ও লড়াইয়ের মাঝেই।
তবে প্রেক্ষাগৃহে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত তার সিনেমা ‘প্রিয় মালতী’, যা পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা শঙ্খ দাশগুপ্ত। এখানে মেহজাবীন মালতী রানী দাশ নামের এক লড়াকু নারীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেনÑ এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত নারী, যিনি প্রতিকূলতার মাঝেও নিজের মর্যাদা ও ভালোবাসার জায়গা খুঁজে পান। তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয় পলাশ কুমার দাশ নামে এক তরুণের সঙ্গে, যা দর্শকদের মনে ছুঁয়ে যায় গভীরভাবে।