× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অপির না বলা কথা

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩:০৪ পিএম

অপি করিম

অপি করিম

নন্দিত অভিনেত্রী অপি করিম। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাটক, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি একজন মডেল, নৃত্যশিল্পী এবং উপস্থাপক হিসেবেও অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। পর্দায় অপি করিম মানেই একরাশ মুগ্ধতা। নিজের সোনালি সময় পেরিয়ে এখনও দর্শকদের মাঝে অপি করিমের মুগ্ধতা বিদ্যমান। এই লাস্যময়ী অভিনেত্রীকে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজেই পাওয়া যাবে না। তবে নিজ ভার্সিটি বুয়েটে কেউই তাকে পাত্তা দিতেন না!

স্থাপত্যবিদ্যায় পড়াশোনা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করেছেন তিনি। তবে বুয়েটে নিজের ডিপার্টমেন্টের কারো কাছেই পাত্তা পাননি অপি করিম। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে হাজির হয়ে ব্যক্তিজীবনের নানা গল্প তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

যেখানে উঠে আসে কলেজ জীবনও। অপি জানান, তাকে বুয়েটের কেউই পাত্তা দিত না। বিশেষ করে তার ডিপার্টমেন্টের।

অপি করিম বলেন, বুয়েটের কেউ আমাকে একদম পাত্তা দিতো না। আমাদের বাসার ঠিক উল্টো দিকে বুয়েটের বাসটা ছাড়ত। তার আগেই স্টুডেন্ট দিয়ে বুয়েটের বাসটা ভরাট হয়ে থাকত। আমাকে কেউ কোনোদিন একবারও বলে নাই, ‘ওরে বাবা! অপি করিম!’ একদম না। দাঁড়িয়েই গিয়েছি বেশিরভাগ দিন।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘বুয়েটে ইনফ্যাক্ট আমি যদি অন্য ডিপার্টমেন্টে যেতাম কিংবা ব্যাংকে যেতাম, তাহলে কেউ কেউ একটু খাতির যত্ন করত। কিন্তু বুয়েটে আমার ডিপার্টমেন্টে, মামা থেকে শুরু করে টিচার, বন্ধু, সিনিয়র, জুনিয়র, কেউ আমাকে জীবনেও পাত্তা দেয়নি।’ যদিও এই বিষয়টিকে উপভোগ করেছেন অপি। জানান, এটা তার দরকারও ছিল। যার ফলে তার কখনও মনে হয়নি যে সবাই তাকে অ্যাটেনশন দিচ্ছে।

নিজেকে কতটা সম্পদশালী মনে করেন অপিÑ এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, থাকার জন্য মাথার ওপর একটা ছাদ, নিজস্ব পরিবহন আর মা-বাবার চিকিৎসার জন্য ব্যাংকে সে পরিমাণ অর্থ থাকাটাই আমার কাছে যথেষ্ট। আর সব কিছুতো আসে যায়। আর সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে পড়াশোনা। এখন মনে হয় অভিজ্ঞতাও একটা বড় সম্পদ।

অনুষ্ঠানে একপর্যায়ে অপিকে দেখানো হয় তার কাছের মানুষের জানানো শুভকামনা বার্তা। তা দেখে অপি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে অপি বলেন, মিডিয়াতে আমার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুও নেই, শুত্রুও নেই। তবে আমার খুব ভালো সহকর্মী আছে। এইটাও আমি বিশ্বাস করি আজকে আমার কিছু হলে আমি আমার কলিগদের পাশে পাব।

এক ভিডিও বার্তায় অপি করিমের মা শাহানারা করিম অপিকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তা দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। নিজের পরিবার নিয়ে অপি বলেন, আমি খুবই সার্থক এমন একটি পরিবার পেয়েছি।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে র‌্যাপিড ফায়ার সেকশনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অপি করিম। সেখানে জানান, তাকে সবাই রাগী ভাবেন। তবে নিজেকে আত্মভোলা বলেন তিনি। খাবারের ক্ষেত্রে সাদা পোলাও বেশ পছন্দ অভিনেত্রীর। সব ধরনেরই খাবার খেতে খুব ভালোবাসেন তিনি। এ ছাড়া মাহফুজের সঙ্গে বেশি নাটকে কাজ করলেও পার্থ বড়ুয়ার সঙ্গেই তার জুটি দর্শক পছন্দ করেন বলে জানান অভিনেত্রী। ১৯৭৯ সালের ১ মে জন্মগ্রহণ করেন অপি করিম। তার আসল নাম সৈয়দা তুহিন আরা অপি করিম।

বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বুয়েট থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এরপর জার্মানি থেকে উচ্চতর ডিগ্রি লাভ করেন। অপি করিম ১৯৯৯ সালে লাক্স ফটোজেনিক প্রতিযোগিতায় ‘মিস ফটোজেনিক’ খেতাব অর্জন করেন। এরপর তিনি লাক্সের বিজ্ঞাপনে মডেল হয়ে জনপ্রিয়তা পান।

অল্প সময়েই নাটক, টেলিফিল্মে নিজের জায়গা করে নেন অপি করিম। এ ছাড়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, মঞ্চে অভিনয়, নাচ, সিনেমা এসবেও কাজ করেন। অপি অভিনীত সিনেমা ব্যাচেলর, মায়ার জঞ্জাল ও উৎসব। ব্যাচেলর সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পান তিনি। অপি করিম অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছেÑ সকাল সন্ধ্যা, শুকতারা, আপনজন, সবুজ গ্রাম, তিথির সুখ, অক্ষয় কোম্পানির জুতা, ছায়া চোখ, জলছাপ, সাদাআলো সাদাকালো, যে জীবন ফড়িংয়ের, উত্তম-সুচিত্রা, মান-অভিমান, এ শহর মাধবিলতার না ও অবাক ভালোবাসা ইত্যাদি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা