প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৫ ১৩:২৭ পিএম
স্বাধীনতার পরপরই জন্মস্থান চট্টগ্রামে শুরু হয় নকীব খানের সংগীতের যাত্রা। বালার্ক ব্যান্ডের গায়ক, পিয়ানিস্ট ও শিল্পী হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ। ১৯৭৪ সালে যোগ দেন সোলসে। এ ব্যান্ডে প্রায় ১০ বছর ছিলেন নকীব খান। বাবা মারা যাওয়ার পর চট্টগ্রাম ছেড়ে চলে আসেন ঢাকায়।
১৯৮৫ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড রেনেসাঁ। সেই থেকে রেনেসাঁ নিয়েই শ্রোতাদের ভালোবাসা কুড়িয়ে যাচ্ছেন নকীব খান। এ বছর সংগীতজীবনের ৫০ বছর পূর্ণ করেছেন তিনি। নকীব খানের ক্যারিয়ারের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ অনুষ্ঠানের। শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ক্রিস্টাল বলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই অনুষ্ঠান। আয়োজন করেছে টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (টিজেএফবি)।
‘নকীব খান ফিফটি ইয়ারস সেলিব্রেশন’ শীর্ষক আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন নকীব খানের দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। নকীব খানকে নিয়ে কথা বলেছেন সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলম, ফেরদৌস ওয়াহিদ, নাসিম আলী খান, রবি চৌধুরী, মনির খান, গীতিকার রিটন অধিকারী রিন্টু, সুরকার মিল্টন খন্দকারসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে নকীব খান তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পথচলা নিয়ে কথা বলেন। গেয়ে শুনিয়েছেন নিজের জনপ্রিয় কিছু গান। পাশাপাশি অন্য শিল্পীরাও গেয়েছেন তার গান। নকীব খানের ক্যারিয়ারের ৫০ বছর পূর্তির এই আয়োজন নিয়ে টিজেএফবির সভাপতি রেদুয়ান খন্দকার বলেন, ‘নকীব খান আমাদের সংগীতজগতের একজন কিংবদন্তি। তার ক্যারিয়ারের ৫০ বছর উদযাপনের এই আয়োজন করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
এর আগে গত জানুয়ারিতে নকীব খানের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ইয়ামাহা ফ্ল্যাগশিপ সেন্টারে আরেকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সে সময় নকীব খান বলেছিলেন, ‘৫০ বছর ধরে টিকে থাকা এবং মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়াটা অনেক বড় ব্যাপার। গান দিয়ে আমি সেই জায়গাটা পেয়েছি। সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হচ্ছে, মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, শ্রদ্ধা পেয়েছি। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আমার কাছে আর কিছু নেই।’