প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৫ ১২:৪৮ পিএম
প্রার্থনা ফারদিন দীঘি
শিশুশিল্পী হিসেবে ঢাকাই সিনেমায় অভিষেক হয় অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। মাঝে দীর্ঘ বিরতির পর নায়িকা হিসেবে ফিরেছেন তিনি। তবে তার এই পথচলা মোটেও সহজ ছিল না, বিভিন্ন সময়ে তাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা গসিপ; হয়েছেন ট্রলের শিকারও। শুরুতে ট্রল হলে ভীষণ কষ্ট পেলেও এখন আর এসবকে পাত্তা দেন না বলেই জানান এই চিত্রতারকা।
দীঘি বলেন, একটা সময় খুব মন খারাপ থাকত। ভেঙে পড়তাম। ভাবতাম, কেন ট্রল হচ্ছেÑ আমি তো ট্রল হওয়ার মতো কিছু করিনি। পরে দেখলাম শাকিব খানকে নিয়েও ট্রল হয়, জয়া আহসানকে নিয়েও হয়। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খান এমনকি আমার প্রিয় রণবীরকে নিয়েও ট্রল হয়। ঈর্ষা থেকেই ট্রল করে বলে দাবি দীঘির। তার কথায়, কিছু মানুষের স্বভাবই হলো অন্যকে ট্রল করা। যারা ট্রল করে, তারা আসলে হতাশাগ্রস্ত ও অসফল মানুষ; সফলদের দেখে তাদের ঈর্ষা হয়। সেই ঈর্ষা থেকেই তারা ট্রল করে। ট্রলিং নিয়ে ভাবলেই নিজের ক্ষতি।
দীঘির মতে, একজন মানুষকে সবাই ভালোবাসবেÑ এটা কখনোই সম্ভব নয়। যদি এসব আমি নেগেটিভভাবে নিই, তাহলে হতাশ হয়ে পড়ব, কাজে মনোযোগ দিতে পারব না। তাই এদের প্রাধান্য দেওয়াটা বোকামি।
সবশেষ ‘জংলি’ সিনেমার মাধ্যমে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন দীঘি। এম রহিম পরিচালিত সিনেমাটিতে নায়ক সিয়াম আহমেদের বিপরীতে দেখা যায় তাকে। এর পর আপাতত নতুন কোনো সিনেমায়ও দেখা না গেলেও সামনে বেশ কিছু প্রজেক্ট রয়েছে দীঘির। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি শো শেষ করে দেশে ফিরেছেন, শিগগিরই কাজে যোগ দেবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের শো নিয়ে দীঘি বলেন, পেনসিলভানিয়া, টেক্সাস ও মিশিগান— তিনটি অঙ্গরাজ্যের তিন শহরে শো করেছি। অভিজ্ঞতা দুর্দান্ত। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যেই অনেক বাঙালি। বাংলাদেশের কোনো শো হলে এসব অঙ্গরাজ্যের দূর-দূরান্ত থেকে সবাই আনন্দ নিয়ে ছুটে আসে, অনুষ্ঠান উপভোগ করে শুনলাম। ওখানে বাঙালি কমিউনিটি অনেক বড়, মিশিগানে আমরা যেখানে শো করেছি, ২০ হাজারের মতো দর্শক ছিল। শোর পাশাপাশি ঘুরে বেড়িয়েছি, আমার খালা থাকেন বাফেলোতে, ওখানে দারুণ সময় কেটেছে। নতুন কাজ প্রসঙ্গে বলেন, চার-পাঁচটি সিনেমা নিয়ে কথা চলছে। গল্প শুনেছি, পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। এবার আমি প্রেমের গল্পে বেশি আগ্রহী, প্রস্তাবও পাচ্ছি। যেহেতু এখন মানুষ আবারও ভালোবাসার গল্প দেখতে চাইছে, তাই প্রেমের গল্পটায় ঝোঁক বেশি। ওটিটি নিয়ে নতুন করে কথা হচ্ছে না। মাঝের সময়ে হয়েছিল, একটাও ব্যাটে–বলে মেলেনি, যে জন্য করতে পারিনি।