প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৪ ০৮:৩৬ এএম
মাসুমা রহমান নাবিলা
অমিতাভ রেজার ছবি ‘আয়নাবাজি’ দিয়ে শোবিজ অঙ্গনে পথচলা শুরু মাসুমা রহমান নাবিলার। নায়িকা হিসেবে অভিষেক সিনেমাতেই সিহশিল্পী পেয়ে যান অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীকে। প্রথম সিনেমা দিয়েই পেয়ে যান বিপুল জনপ্রিয়তা, চলে আসেন আলোচনায়। তবে নাটক-উপস্থাপনা নিয়ে টুকটাক কাজ করলেও বড়পর্দায় দেখাই নেই দীর্ঘদিন।
লম্বা বিরতির পর বছরের কোরবানির ঈদে রায়হান রাফীর ‘তুফান’ সিনেমায় অভিনয় করেন। মাস-মাসালা ছবিটিতেও শাকিব খানের সঙ্গে তার খুনসুটি দর্শকরা ভালোভাবে গ্রহণ করেছে। সফল এ ছবির পর বর্তমানে কী করছেন তিনি?
সম্প্রতি মাছরাঙা টিভি সেরা রাঁধুনীর দুই সিজনের রেসিপি নিয়ে বই প্রকাশ করেছে। এতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ১০০ রেসিপি আছে। সেই রেসিপিগুলো এবার পর্দায় নিয়ে আসছেন নাবিলা। টানা শুটিং করেছেন এফডিসিতে।
সেসব সম্পর্কে নাবিলা বলেন, ‘এই যে রাঁধুনীর প্রোগ্রামটা করলাম, এটার উপস্থাপনা আমি করব। কাজ যেটাই হোক, কাজ তো করে যেতে হবে। এ ধরনের কাজ বরাবরই আমার ভালো লাগে।’
প্রথম সিনেমায় জনপ্রিয়তা পেলেও সেভাবে আর কোনো কাজ করেননি কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো একটা কারণে আমার কাছে কাজ খুব একটা আসে না। কেউ আমাকে কাজের জন্য ডাকে না। আবার যে কেউ, যেকোনো গল্পে ডাকলেই আমি রাজি হই না। অপেক্ষায় আছি, ভালো কিছু এলে আবার অভিনয় করা হবে। ‘তুফান’ সিনেমা হিট হওয়ার পরও নতুন কোনো কাজে যোগ দিইনি। আমার সঙ্গে কেউ যোগাযোগ করেনি। হয়তো আমার অভিনয় মানুষের অত পছন্দ হয়নি! সামহাউ আমার কাছে কাজ কম আসে অথবা কাজ আমাকে ডাকে না।
এসবের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমি শুধু কাজ করি আর পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকি। যোগাযোগটা ঠিকমতো মেনটেইন করা হয় না। নির্মাতা-প্রযোজকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা আমার পক্ষে হয়ে ওঠে না। কোনো গ্যাদারিংয়ের পার্ট হতে পারি না। কারও সঙ্গে যোগাযোগ, বন্ধুত্ব, কফির আড্ডা, এসব জায়গায় আমার কমতি আছে। তাই হয়তো আমার কথা নির্মাতাদের হুট করে মনে পড়ে না।’
এক ছবি থেকে আরেক ছবির লম্বা বিরতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘এত লম্বা বিরতি। আয়নাবাজির সময়ও বলেছি, কাজ করতে চাই। এখনও তাই বলি। খেয়াল করে দেখলাম, কিছু মানুষ রিপিটেডলি কাজ করেন। সেই ব্যাপারটা আমার সঙ্গে কেন ঘটে না, একটা হিট কাজের পর কেন নতুন দশটা কাজের প্রস্তাব আসে না, আই ডোন্ট নো। আবার যেকোনো কাজ এলেই করে ফেলব, তা তো না। পছন্দ হতে হবে। ফলে একটা ভালো কাজ বেছে নেওয়ার অপশন আমি পাই না। এ কারণেই গ্যাপ হয়ে যায়।’
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা নিয়ে নাবিলা বলেন, ‘উপস্থাপনা বা সঞ্চালনায় অনেক প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকে। সেখানে উত্তর দেওয়া কিছুটা সহজ হলেও প্রশ্ন করার জন্য অনেক প্রস্তুতি নিতে হয়। হুটহাট প্রশ্নে অনেকে অনেক সময় রেগে যেতে পারেন। একটি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করায় খাটুনি বেশি। উত্তর দেওয়ার মধ্যে কোনো খাটুনি নেই।’