প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪:৫৪ পিএম
আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৪:৫৪ পিএম
জেমস ক্যামেরন । ছবি: সংগৃহীত
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিমলগ্ন; ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। জাপানের হিরোশিমায় তখন সবে সকাল হয়েছে। ঘড়িতে ৮টা বেজে ১৫ মিনিট। মানুষ তখন সকালের স্নিগ্ধতায় নিজেকে সঁপে দেওয়ায় ব্যস্ত। ঠিক সেই সময় ঘটল ইতিহাসের ভয়ংকরতম ন্যক্কারজনক ঘটনা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের পূর্বনির্ধারিত আদেশ অনুযায়ী বোমারু বিমান ‘এনোলা গে’তে করে বয়ে আনা আণবিক বোমা ‘লিটল বয়’ নিক্ষেপ করা হয় হিরোশিমার ভূমিতে। বিমানের পাইলটের গুরুদায়িত্ব পালন করেন কর্নেল পল ওয়ার ফিল্ড টিবেটস। তিনিয়ান দ্বীপ থেকে রাত ২টা ৩০ মিনিটে রওনা দিয়ে ১ হাজার ৭০০ মাইল পথ অতিক্রম করে হিরোশিমার আকাশে পৌঁছায় বিমানটি।
হামলার বছরের শেষ নাগাদ প্রায় ৬০ হাজারর মানুষ মারা যায়। আণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তা, পুড়ে যাওয়া এবং আহত হওয়ার কারণে তাদের মৃত্যু হয়। বোমার এ তেজস্ক্রিয়তার কারণে ঘটনার পাঁচ বছর পর সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ৩০ হাজারে।
ইতিহাসের এ ভয়াবহ অধ্যায় পর্দায় ফুটিয়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন হলিউডের কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরন। হলিউড রিপোর্টারের প্রতিবেদন অনুসারে, এজন্য প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা চার্লস পেলেগ্রিনোর ‘ঘোস্টস অব হিরোশিমা’র স্বত্ব কিনেছেন তিনি। তবে এর সঙ্গে একই লেখকের ‘ঘোস্টস’ ও ‘লাস্ট ট্রেন ফ্রম হিরোশিমা’ বই থেকে সাহায্য নেওয়া হবে।
সিনেমাটি বাস্তবতার নিরিখে নির্মাণ করা হবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের অবস্থা, বোমা হামলার পর হিরোশিমার পরিস্থিতি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চার্লস পেলেগ্রিনোর বইটি প্রকাশিত হবে ২০২৫ সালে। এর পরই সিনেমা নির্মাণের কাজে নেমে পড়বেন জেমস ক্যামেরন। এর আগে ‘টাইটানিক’ ও ‘অ্যাভাটার’ সিনেমা বানিয়ে সাড়া ফেলেছিলেন। ধারণা করছেন, এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।