প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ জুলাই ২০২৪ ১০:২৩ এএম
চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। ছবি : সংগৃহীত
সময় ভালো যাচ্ছে না চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির। রেস্টুরেন্ট দখল, লুটপাট, প্রতারণা, ব্যবসায়িক অংশীদারকে হত্যাচেষ্টা, মারপিটের অভিযোগ এবং ‘ময়ূরাক্ষী’র নির্মাতাকে মারধরÑ এই দুই ঘটনা ঘিরে গত কয়েক দিন ধরে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। শেষ পর্যন্ত বিষয়গুলো স্পষ্ট করতে গতকাল সংবাদ সম্মেলন করেছেন ববি।
সংবাদ সম্মেলনে ববি জানান, আর্থিক সচ্ছলতার আশায় গুলশানে একটি রেস্টুরেন্ট কিনেছিলেন তিনি। গত এপ্রিল মাসে রেস্টুরেন্টটির আগের মালিক সেটি তাদের কাছে হস্তান্তর করেন। ডেকোরেশনের কাজ শেষে রেস্টুরেন্ট পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়। পরে ট্রেড লাইসেন্স করার জন্য ভবনের মালিকের কাছে শাহিনা ইয়াসমিন ও জাওয়াদ আল মামুনকে চুক্তিপত্র, ফায়ার সেফটি ও বাণিজ্যিক অনুমতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। ববির দাবি, এসব কাগজপত্র চাওয়ার পর থেকে পূর্বের মালিক আমান, শাহিনা ইয়াসমিন, জাওয়াদ, ভবনের দায়িত্বে থাকা জয়, সাকিবসহ অন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আমাদের হয়রানি শুরু করেন। রেস্টুরেন্ট চালুর আগে যে টাকা দেওয়া হয়েছে সেটাও অস্বীকার করেন তারা। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীদের এনে ভয়ও দেখানো হয়। পরে ববি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, শাহিনা ইয়াসমিন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের স্ত্রী এবং এই ভবনের মালিক মামুন নিজেই। সিটি করপোরেশন থেকে জানানো হয়েছে, অনুমতি ছাড়াই ভবনটিতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে।
নিজের অর্থ খরচ করে ব্যবসা করতে নেমে উল্টো হয়রানির শিকার হচ্ছেন দাবি করে চিত্রনায়িকা ববি বলেন, আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার পর এখনও গুলশানের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কীভাবে এমন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলে তা আমার বোধগম্য নয়। তাদের কারা সহায়তা করে তাও অনুসন্ধান করা দরকার।
এদিকে নির্মাতাকে চড় মারার বিষয়ে জানতে চাইলে ববি বলেন, ‘প্রযোজক সব শিল্পীর পারিশ্রমিক পরিচালকের হাতে দিলেও তিনি শিল্পীদের পাওনা ঠিকমতো পরিশোধ করেননি। এসব নিয়ে কথা বলার জন্য আমরা প্রযোজকের বাসায় বসি। সেখানে ‘কিছু না কিছু’ ঘটেছে। এত ভেঙে বলা উচিত হবে না।’