প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪ ২২:২৯ পিএম
আপডেট : ২৬ মে ২০২৪ ২২:৪৪ পিএম
আনন্দলোক ট্রাস্টের উদ্যোগে রবিবার (২৬ মে) ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের রমেশচন্দ্রদত্ত স্মৃতিমিলনকেন্দ্রে একটি ন্যাশনাল কন্সাল্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রবা ফটো
জাতীয় পর্যায়ের অলাভজনক সংস্থা আনন্দলোক ট্রাস্টফর এডুকেশন অ্যান্ডডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ৩৪টি আনন্দলোক বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে শিক্ষাগ্রহণ করার মাধ্যমে শিক্ষার্থী রানিজেদের ভবিষ্যতে সুনাগরিক হিসেবে তৈরি করছে। ইতোমধ্যে আনন্দলোক বিদ্যালয়গুলো স্থানীয় পর্যায়ে একটি রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় আনন্দলোক ট্রাস্টের উদ্যোগে রবিবার (২৬ মে) ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনের রমেশচন্দ্রদত্ত স্মৃতিমিলনকেন্দ্রে একটি ন্যাশনাল কন্সাল্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ও জাতীয় প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আনন্দলোক বিদ্যালয়গুলোকে কিভাবে স্থায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা যায়, সেই বিষয়ে সুধী সমাজের পরামর্শ ও মতামত গ্রহন ছিল এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, কর্পোরেটডেলিগেট, বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধি, শিক্ষানুরাগী ও বিভিন্ন স্তরের শ্রেণিপেশার মানুষ এই ন্যাশনাল কন্সাল্টেশনে অংশ গ্রহণ করেন।বিশিষ্ট লেখকও শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ জাফরইকবালের সভাপতিত্বে এইকন্সাল্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত সুধী সমাজের প্রতিনিধিগন বলেন শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। প্রতিটি দরিদ্র পীড়িত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরপ্রাথমিক শিক্ষালাভের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আনন্দলোক ট্রাস্টের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবী রাখে। উপস্থিত ব্যাক্তিবর্গ আনন্দলোক বিদ্যালয়ের এই কার্যক্রমকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ও স্কুলগুলোকে স্থায়িকরনের জন্য সকলের সহযোগিতার উপরগুরুত্বারোপ করেন। সভাপতির বক্তব্যে ড.জাফর ইকবাল বলেন, আনন্দলোক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম অনুপ্রেরনা দায়ক। এইস্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে শিক্ষালাভ করে থাকে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সরকারী ও বেসরকারি পর্যায়ে ব্যক্তি ও সংস্থা সমূহ তার নিজ নিজ জায়গা থেকে আনন্দলোকবিদ্যলয়ের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও সুন্দর ভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবেন।