× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

অধিগ্রহণ করা ৩০ কাঠা জমি বেহাত

ইউছুব ওসমান, জবি

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৪ ১০:০৪ এএম

আপডেট : ১৫ মে ২০২৪ ১০:০৯ এএম

রাস্তাসহ অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। এখানে কোনার এই অংশটুকু বেদখল করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। দেয়াল নেওয়া হয়েছে বাঁকা করে। প্রবা ফটো

রাস্তাসহ অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। এখানে কোনার এই অংশটুকু বেদখল করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। দেয়াল নেওয়া হয়েছে বাঁকা করে। প্রবা ফটো

রাজধানী ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নে ২০০ একর জায়গার ওপর গড়ে উঠছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস। প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে, তাই দফায় দফায় মেয়াদ বাড়িয়েও শেষ হচ্ছে না ক্যাম্পাস স্থাপনের কাজ। বরং প্রকল্পটি ঘিরে নানা দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অভিযোগ পাওয়া গেছে, ক্যাম্পাসের জন্য অধিগৃহীত জমি বেহাত করে সেখানে অর্থ লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিদিনের বাংলাদেশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের একটি চক্র এই কাজে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক কোষাধ্যক্ষও ছিলেন এই চক্রের প্রশ্রয়দাতা।

২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তেঘরিয়ার পশ্চিমদি মৌজায় ২০০ একর ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয় সরকার। ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর জমির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ভূমি মন্ত্রণালয়। ৯ অক্টোবর নতুন ক্যাম্পাস স্থাপনে ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়নের জন্য প্রকল্প অনুমোদন দেয় একনেক। ১ হাজার ৯২০ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের অক্টোবরের মধ্যে।

২০১৯ সালের জুলাইয়ে নতুন ক্যাম্পাসের নকশা দেখানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। ওই বছরের জুলাইয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার চেক পায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি মোট ২০০ একর জমির মধ্যে ১৮৮ দশমিক ৬০ একর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বুঝে পায়। এখনও ১১ দশমিক ৪০ একর বুঝে পায়নি।

যেভাবে জমি বেহাত 

ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার আগেই ক্যাম্পাসের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের অক্টোবর। ঢাকা জেলা প্রশাসন থেকে ভূমি অধিগ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়কে পিলার বসিয়ে ১৮৮.৬০ একর বুঝিয়ে দেওয়ার পর সেই অনুযায়ী সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রাচীর নির্মাণের সময় জমি বেহাত করে অর্থ লুটের জন্য একটি অসাধু চক্র গড়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে। অভিযোগ উঠেছে, এই চক্রে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা। এদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের ওরফে কাজী মনির, ট্রেজারার দপ্তরের এক কর্মকর্তাসহ প্রকৌশল দপ্তর এবং নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তার নামও উঠে এসেছে। তাদের সাথে কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিও জড়িত। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী এই চক্রের প্রশ্রয়দাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। 

অভিযোগ রয়েছে, অধিগ্রহণ করা ভূমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হলে বিভিন্ন পয়েন্টে নির্মাণশ্রমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের জমি ছেড়ে দিয়ে কাজ করাতে বাধ্য করেন সম্পত্তি কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার। জমির সীমানা নিয়ে সমস্যা আছে উল্লেখ করে একাধিক পয়েন্টে ৩০ কাঠারও বেশি জমি বেহাত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ করাতে বাধ্য করেন তিনি। এই কাজে নির্মাণশ্রমিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের ওপর চাপ প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেন কর্মকর্তা সমিতির বর্তমান সভাপতি আব্দুল কাদের ওরফে কাজী মনির। তিনি নতুন ক্যাম্পাসের জমি অবৈধভাবে দখল করে দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, নতুন ক্যাম্পাসের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অধিগ্রহণ করা প্রায় ১৫ কাঠা জমি বেহাত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাচীর নির্মাণের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়াররা সেই জায়গাসহ প্রাচীর নির্মাণ করতে চাইলে তাতে বাধা দেন কামাল হোসেন। জমিটি অধিগ্রহণ করা হয়নি বলে তিনি ইঞ্জিনিয়ারদের জানান। যদিও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জমিটি অধিগ্রহণ করার পর সেখানে থাকা স্থাপনা নিলামে বিক্রিও করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নিলাম-সংক্রান্ত কাগজপত্রও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে।

জানার পরও ব্যবস্থা নেননি ট্রেজারার

নিলামের কাগজপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০২১ সালের ৯ মার্চ নিলামের জন্য গঠিত কারিগরি কমিটির তৈরি করা তালিকায় বেহাত করা ওই জমিতে দুটি একচালা টিনের ঘর ছিল। যেগুলো মুরগির খামার হিসেবে ব্যবহার হতো। তালিকার ৪৯ এবং ৫১ নম্বরে ছবিসহ এর উল্লেখ করা হয়েছিল। এর একটি নিলামে বিক্রি করতে পারলেও আরেকটি রাতের আঁধারে চুরি হয়ে যায় বলে জানিয়েছেন নিলামের কারিগরি কমিটি এবং নিলাম কমিটির একাধিক সদস্য। তবে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হলে কামাল হোসেন সরকার এবং কাজী মনিরের যোগসাজশে সেখানে আবারও একচালা টিনের ঘর তোলেন ওই জমির আগের মালিক। এরপর প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে বাধা দেন সম্পত্তি কর্মকর্তা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়াররা তৎকালীন ট্রেজারার  কামালউদ্দীন আহমদকে বিষয়টি জানালে তিনি ব্যবস্থা না নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্দেশে বলেন, ‘টাকা যাচ্ছে সরকার আর বিশ্ববিদ্যালয়ের। তোমাদের এত মাথাব্যথা কেন?’ পরে সেই জায়গা ছেড়ে দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিলামের জন্য গঠিত কারিগরি কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘আমরা তিনবার পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাই করে নতুন ক্যাম্পাসের অধিগ্রহণকৃত বিভিন্ন স্থাপনা নিলামে বিক্রির জন্য তালিকা করেছিলাম। আমাদের তালিকার ৪৯ এবং ৫১ নম্বরে ওই জমির দুটি স্থাপনা ছিল। এর মধ্যে নিলামে একটি বিক্রি করা সম্ভব হয়েছিল। আরেকটি রাতের আঁধারে চুরি করা হয়। ওই জমি আমাদের অধিগ্রহণ করাই ছিল। আমরা যাচাই-বাছাই করেই নিলামে স্থাপনা বিক্রি করেছিলাম।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রকৌশল দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘জমিটি আমাদের অধিগ্রহণ করা। সেখানকার স্থাপনাও আমরা নিলামে বিক্রি করেছিলাম। কিন্তু সীমানাপ্রাচীর করার সময় সম্পত্তি কর্মকর্তা জানান, জমিটা আমাদের না। তিনি জমিটি ছেড়ে দিতে বলেন। আমরা ট্রেজারার স্যারকে জানালে তিনি উল্টো আমাদের ধমক দেন। ‘টাকা যাচ্ছে সরকার আর বিশ্ববিদ্যালয়ের। তোমাদের এত মাথাব্যথা কেন?’-এমন কথা বলেন তিনি। বাধ্য হয়ে আমাদের ওই জায়গা ছেড়ে দিতে হয়।

যাতায়াতের নামে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ কাঠা জমি

এদিকে নতুন ক্যাম্পাসের উত্তর-পশ্চিম পাশে অধিগ্রহণ করা জমির সীমানা বরাবর প্রাচীর নির্মাণের কাজ করতে গেলে সেখানেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের বাধা দেন কামাল হোসেন সরকার। পাশের এক জমির মালিককে যাতায়াতের রাস্তা করে দিতে প্রায় ৫ কাঠা অধিগ্রহণ করা জমি ছেড়ে দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করতে বাধ্য করেন তিনি। ওই জমি অধিগ্রহণে সমস্যা রয়েছে উল্লেখ করে জমি বেহাত করে প্রাচীর নির্মাণ করতে ইঞ্জিনিয়ারদের চাপ দেন তিনি। একইভাবে মুজাহিদনগরের পাশে, দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের আরও কয়েকটি জায়গায় এভাবে জমি বেহাত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সরেজমিন গিয়েও এর প্রমাণ মিলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ‘ওই জায়গায় আমাদের সোজা দাগে জমি। পিলারও বসানো ছিল। প্রাচীরের কাজ করতে গেলে কামাল হোসেন আমাদের বাধা দেন। বলেন, এখানে জমির সমস্যা আছে। ছেড়ে দিতে হবে। তিনি সম্পত্তি কর্মকর্তা। তিনি যেভাবে জমি দেখিয়েছেন, সেভাবেই আমাদের প্রাচীর তুলতে হয়েছে।’

অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিগ্রহণকৃত এসব জমি বেহাত করে পূর্বের মালিক এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের সুবিধা দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা লুট করেছেন সম্পত্তি কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি কাজী মনির এবং তার সহযোগীরা। 

বাকি জমি অধিগ্রহণেও বাধা দিচ্ছে লুটেরা চক্র

এদিকে নতুন ক্যাম্পাসের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অধিগ্রহণ বাকি থাকা ১১.৪০ একর জমি অধিগ্রহণেও লুটেরা চক্রটি বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের সাথে যোগসাজশে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে রাতারাতি স্থাপনা নির্মাণ করে তারা অধিগ্রহণে জটিলতা সৃষ্টি করছে। তাদের এই ভূমিকায় চার বছরেও বাকি জমি অধিগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকালে শ্রমিকদের বিভিন্ন সময় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি কাজী মনির ভয়ভীতি দেখিয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখতে রাস্তা কেটে প্রকল্পের কাজে পানি ঢুকিয়ে কাজ বন্ধ রাখারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

লুটেরাদের এসব কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিন ধরে চোখের সামনে চলতে থাকলেও এবং এ সম্পর্কে বারবার জানানো হলেও ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তৎকালীন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ এবং তার দপ্তরের এক কর্মকর্তার প্রশ্রয়ে চক্রটি তাদের হরিলুট অব্যাহত রেখেছে। তৎকালীন ট্রেজারার একাধিকবার নতুন ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে এসব বিষয় জানানোর পরও ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং তাদের প্রশ্রয় দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তর এবং নতুন ক্যাম্পাস প্রকল্পের কর্মকর্তাদের বিভিন্নভাবে ধমকিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সম্পত্তি কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার সাবেক ট্রেজারার কামালউদ্দীন আহমদের খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। 

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

জানতে চাইলে অভিযুক্ত সম্পত্তি কর্মকর্তা কামাল হোসেন সরকার বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ মিথ্যা। আমি এমন কোনো কাজ করিনি। এসব অভিযোগের সাথে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। জমি বুঝিয়ে নেওয়ার জন্য ডিসি অফিসে চিঠি দেওয়া হয়েছে তারা বুঝিয়ে দিবেন।’এই কথা বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্তদের আরেকজন কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের ওরফে কাজী মনির বলেন, ‘সম্পত্তি কর্মকর্তার সাথে এই ব্যাপারে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। কেউ হয়তো শত্রুতার বশবর্তী হয়ে আমাদের নামে এসব অভিযোগ তুলেছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদকে বারবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, ‘বিষয়টি সরেজমিন গিয়ে দেখেছি। দেখেছি অনেক জায়গায় সীমানাপ্রাচীর আঁকাবাঁকা। দক্ষিণ-পশ্চিম পাশের ওই জায়গাও দেখেছি। নিলামে ওখানকার স্থাপনাও বিক্রি হয়েছিল বলে জানি। এখন আমাদের ডিজিটাল সার্ভে করে জমি বুঝে নিতে হবে। জেলা প্রশাসন পুরো জমি বুঝিয়ে দিলে এই সার্ভে করতে হবে। আমরা তো আর এত টাকা দিয়ে কম জমি নেব না। তবে যেভাবে আঁকাবাঁকা করে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, স্থাপনা করা যাবে না ঠিকমতো। অনেক জমি পতিত পড়ে থাকবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হুমায়ূন কবীর চৌধুরী বলেন, ‘আমি জায়গাটি পরিদর্শন করে দেখেছি। এভাবে এক কোণে জমি ছেড়ে দিয়ে কীভাবে অধিগ্রহণ হয়, সেটা নিয়ে আমার মনেও প্রশ্ন রয়েছে। তবে সেটা অধিগ্রহণ করা হয়েছিল কি না তা খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। অনেক জায়গায়ই এমন আঁকাবাঁকা প্রাচীর দেখেছি। এভাবে অনেক জমি নষ্ট হবে। কোনো ভবন করা যাবে না। আমরা টাকা দিয়ে কম জমি নেব না। পুরো জমি অধিগ্রহণ শেষে ডিজিটাল সার্ভে করে বুঝিয়ে নিতে হবে।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা