বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৪ ২১:০৬ পিএম
আপডেট : ১০ মে ২০২৪ ২১:০৯ পিএম
দেশের ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে গুচ্ছ ভর্তি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ক্লাস শুরুর চিন্তা করছে ভর্তি কমিটির সদস্যরা।
শুক্রবার (১০ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩টি কেন্দ্রে একযোগে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসসহ দুটি উপকেন্দ্রে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে উপকেন্দ্রগুলো ছিল—উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল। জবি ক্যাম্পাসে ১২ হাজার ৫১৩ জন, উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩ হাজার ৪৮০ জন এবং ঢাকাগভর্নমেন্ট মুসলিম হাই স্কুলে ১ হাজার ২৪৫ জন পরীক্ষার্থীর আসন বিন্যাস করা হয়েছিল। উপস্থিতির হার ছিল ৮৭ শতাংশ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক ও বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ ভূইয়া বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রসহ বাকি দুটি কেন্দ্রে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মোট পরীক্ষার্থীর ৮৭ শতাংশ উপস্থিত ছিল।’
এদিকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ২০২৩-২৪ ক্লাস মধ্য জুলাই থেকে শুরু করতে চায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও যাতে এর মধ্যে শুরু করতে পারে সেই আশা ব্যক্ত করেছেন জবি উপাচার্য এবং গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। এ কারণে দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ার একজন অন্যতম যুগ্ম-আহ্বায়ক হওয়ায় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আমি কোর কমিটিকে আহ্বান জানাব দ্রুত ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরুর পরিকল্পনা মধ্য জুলাইয়ে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় পরীক্ষার কাজে সম্পৃক্ত শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ প্রশাসন, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন জবি উপাচার্য।
এর আগে গত ২৭ এপ্রিল সারা দেশের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩টি কেন্দ্রে গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা শেষে বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আর্কিটেকচার ব্যবহারিক (ড্রয়িং) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়। এরপর ৩ এপ্রিল গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার ৭২ ঘণ্টারমধ্যেই ‘বি’ ইউনিটেরও ফল প্রকাশ করা হয়।
চলতি বছর গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তিনটি ইউনিটে ভর্তিযুদ্ধে অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬ জন শিক্ষার্থী।