কুবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২২ ১০:৪৫ এএম
আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০২২ ২০:৫৯ পিএম
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ও কাজী নজরুল ইসলাম হল। ছবি : প্রবা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের ডাইনিং গত এক মাসের মতো বন্ধ হয়ে আছে। এতে চরম ভোগান্তিতে দিন পার করছেন দুই হলে থাকা প্রায় ৪০০ জন শিক্ষার্থী। ডাইনিং বন্ধ থাকায় বাইরের বিভিন্ন নিম্নমানের হোটেল থেকে বেশি দামে অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনে খেতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, পরিচালকরা দক্ষ না হওয়া ও হলের ডাইনিং পরিচালনায় ভর্তুকি না থাকায় বন্ধ রয়েছে এই দুই হলের ডাইনিং। হলগুলো পরিচালনায় বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস এবং কর্মচারীদের বেতন বিশ্ববিদ্যালয় বহন করলেও দীর্ঘদিন ধরে ডাইনিং বন্ধ রয়েছে। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
নজরুল হলের শিক্ষার্থী হাসিব হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘হলে যে টাকা দিয়ে যে খাবার খাই, সেই খাবার বাইরে খেতে গেলে তার চেয়ে বেশি টাকা লাগে। তার জন্য মাস শেষে অনাকাঙ্ক্ষিত একটা বাজেট চলে যায়। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, যেন অতিদ্রুত ডাইনিংগুলো চালু করে দেয়।’
দত্ত হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ইমন শাহরিয়ার বলেন, ‘বাইরে ভালো মানের খাবার পাওয়া যায় না, আর পাওয়া গেলেও সেটার দাম অনেক বেশি। তা ছাড়া আমাদের অনেকটুকু পথ হেঁটে গিয়ে খাবার খেতে হয়, এতে আমাদের সময়ের অপচয় হয়। যদি ডাইনিং চালু থাকত তাহলে আমাদের সময় বাঁচত।’
ডাইনিং বন্ধ থাকার ব্যাপারে জানতে চাইলে দত্ত হলের প্রভোস্ট মোহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘ডাইনিং চললেও হলের প্রায় বেশিরভাগ ছাত্র বাইরে খায়। যেহেতু অল্প কয়েকজন ছাত্র ডাইনিংয়ে খায়, তাই অল্প কয়েকজন ছাত্রের জন্য ডাইনিং চালু রাখা কঠিন। আগামীকাল এই বিষয়ে আমরা মিটিং করব। ছাত্রদের কাছে জানতে চাইব কেন তারা বাইরে খায় এবং এর সমাধান করার চেষ্টা করব।’
একই ব্যাপারে নজরুল হলের প্রভোস্ট মিহির লাল ভৌমিক বলেন, ‘হলের ডাইনিংয়ে খুব কম শিক্ষার্থী খাওয়া-দাওয়া করে। ফলে হলের ম্যানেজারের পক্ষে ডাইনিং চালানো কষ্টকর হয়ে যায়। আমি আবার উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহ থেকে আবার চালু হবে।’