বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:৪৪ পিএম
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইংরেজি বিভাগের নানা অনিয়ম এবং অফিস স্টাফদের অসহযোগিতামূলক আচরণে অভিযোগ করেও সমাধান না পাওয়ায় প্রতিবাদ স্বরূপ ভর্তি বাতিলের আবেদন করেছেন বিভাগটির এক শিক্ষার্থী।
২০২০-২১ সেশনের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নূরুদ্দীন শহীদ গত ১৩ ডিসেম্বর চবির ইংরেজি বিভাগের সভাপতিকে মাধ্যম করে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের কো-অর্ডিনেটর বরাবর ই-মেইলে ভর্তি বাতিলের আবেদন করেন।
আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বিভাগের নানান অনিয়ম, অফিস স্টাফদের অপেশাদার এবং অসহযোগিতামূলক আচরণের ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো সমাধান না হওয়া, বারবার একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি ঘটা এবং সর্বোপরি ইংরেজি বিভাগে শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার না দেয়া ইত্যাদি কারণে এ বিভাগের মাস্টার্স থেকে আমার ভর্তি বাতিলের মনস্থির করেছি।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ নূরুদ্দীন শহীদ বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে ইংরেজি বিভাগে অনিয়ম ও অসহযোগিতার চর্চা চলে আসছে। চার বছরের অনার্স শেষ করতে সাত বছর লেগে যায়। অফিস স্টাফরা সব সময় অপেশাদার আচরণ করেন।
নূরুদ্দীন আরও বলেন, কেউ প্রতিবাদ করে না। কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবে। এর আগেও চেয়ারম্যান স্যারকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। বরং দায়সারা জবাব দিয়েছেন। আমার এই আবেদন প্রতীকী প্রতিবাদ। এমন আচরণে বিভাগের শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ ও বিক্ষুব্ধ। আমরা এসব অনিয়মের সুষ্ঠু সুরাহা চাই।
এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য বলেন, এরকম কিছুই হয়নি। কিছুদিন আগে অফিসের এক স্টাফের সঙ্গে তার একটু ঝামেলা হয়। আমি নিজেই বিষয়টা সমাধান করেছি। আমরা এখন সাত-আট মাসেই পরীক্ষা নিচ্ছি। মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা বিসিএস দেওয়ার জন্য নিজেরাই পরীক্ষা পেছাতে বলেছে। অবরোধের মধ্যেও বিভাগে নিয়মিত পরীক্ষা হচ্ছে। ওই শিক্ষার্থী ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে।
ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য আরও বলেন, যদি আসলেই এমন কিছু ঘটে থাকে তাহলে সে প্রমাণ দেখাক। এমন আচরণে আমার ভালো লাগে নাই। সমস্যা হলে আমার কাছে আসতে পারতো। আমার মনে হয় ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কারণে সে মানসিক সমস্যায় আছে।