গাজীপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ নভেম্বর ২০২৩ ২৩:০০ পিএম
বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হয়। প্রবা ফটো
বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবের মধ্য দিয়ে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরকৃবি) ২৬তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করছে। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে শান্তির প্রতীক কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে দিবসটির শুভসূচনা করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ট্রেজারারসহ অতিথিরা।
পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে এসে সমাপ্ত হয়। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়ার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর প্রধান অতিথি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। রেজিস্ট্রার মো. সিরাজুল ইসলাম তালুকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. অহিদুজ্জামান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ বছরের সাফল্য ও অর্জনের ডকুমেন্টারি উপস্থাপনা করেন পরিচালক (গবেষণা) অধ্যাপক মো. আবিয়ার রহমান। পরে অনুষদীয় ডিনগণ পরিচিতিমূলক বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন শিক্ষককে গবেষণা সম্মাননা দেওয়া হয়।
তারা হলেন ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (আইবিজিই) অধ্যাপক মো. তোফাজ্জল ইসলাম ও অধ্যাপক মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক দীনেশ চন্দ্র সাহা ও গাইনিকোলজি, অবস্ট্রেটিকস অ্যান্ড রিপ্রোডাকটিভ হেলথ বিভাগের অধ্যাপক মো. নাজমুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর বলেন, ‘শিক্ষায় বিনিয়োগের চেয়ে বড় কোনো বিনিয়োগ হতে পারে না। তিনি ২৬তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ুক।’
উপাচার্য অধ্যাপক মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার কৃষিশিক্ষার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দক্ষ মানবশক্তি তৈরি করছি। স্বল্প সময়ের মধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয় ৭৭টি নতুন উন্নতজাত ও ১৬টি নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষি গবেষণায় এক অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে।’
অনুষ্ঠান শেষে নবনির্মিত কৃষি অনুষদ ভবন প্রাঙ্গণে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর।