বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৩০ পিএম
আপডেট : ১০ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৪৬ পিএম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে দেওয়া চিঠি। প্রবা ফটো
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই চিঠি দেওয়া হয়। চিঠির একটি কপি এসেছে প্রতিদিনের বাংলাদেশের হাতে। ওই শিক্ষকের প্রতিপক্ষ গ্রুপ এই কপি সরবরাহ করেছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ ২০১৯ সালে ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ হওয়ার পর থেকে ব্যাপকভাবে অনিয়ম, দূর্নীতি এবং নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। কেরানীগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রকল্প যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাকা চৌধুরীর পরিবারের ফার্ম ‘এডিএল’ কে লেনদেন এর মাধ্যমে বার বার কাজ পাইয়ে দিতে সহায়তা প্রদান করেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করেন। যা জাতীয় গণমাধ্যমে তথ্য প্রমাণসহ প্রকাশিত হয়েছে।
ট্রেজারারের আদর্শ ও কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলে চিঠিতে বলা হয়েছে, কামালউদ্দীন আহমদের আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থাকাকালীন সময়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষক সমিতির সাদা দলের আদর্শে উজ্জীবিত ছিলেন। বর্তমানে ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শবিহীন একজন শিক্ষক এবং পারসেনটিজ খেয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে মূলহোতা হিসেবে পরিচিত পেয়েছেন। পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় কর্তৃক এক রায়ে কামালকে অদক্ষ প্রশাসক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
চিঠিতে গোয়েন্দা সংস্থা বা বিভাগীয় তদন্ত করে বিশেষভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদের সঙ্গে দিনের বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।