প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৯:৪৫ পিএম
আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:০৫ পিএম
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
শিক্ষা ক্যাডারের অস্তিত্ব বিপন্ন বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ক্যাডার বিলোপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে আমাদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দপ্তরে শিক্ষা ক্যাডারের লোক থাকছে না। এ জন্য আমাদের মনে হচ্ছে এ ক্যাডারের অস্তিত্ব বিপন্ন। আমরা বাধ্য হয়ে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আন্দোলন করছি। আমাদের অবস্থান হলো যারা আমাদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন করবে তাদের তা বাস্তবায়নে বাধ্য করা।’
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।
শাহেদুল খবির বলেন, শিক্ষা ক্যাডারের তফসিলভুক্ত পদগুলো দখলে সম্পূর্ণ অজ্ঞাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার জন্য আলাদা নিয়োগ বিধিমালা করা হয়েছে, যা বিসিএস সাধারণ শিক্ষা কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুলস ১৯৮০ এর পরিপন্থী।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সমিতির মহাসচিব মো. শওকত হোসেন মোল্ল্যা শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে আগামী ২ অক্টোবর সারা দেশে কর্মবিরতি পালনের ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, আগামী ২ অক্টোবরের কর্মসূচির পরও দাবি আদায় না হলে ১০,১১ ও ১২ অক্টোবর টানা তিন দিন সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করা হবে। পদোন্নতিতে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে শিক্ষা ক্যাডারে। এই মুহূর্তে সাত হাজার কর্মকর্তা সব যোগ্যতা পূরণ করে পদোন্নতির অপেক্ষায়। সময়মতো পদোন্নতি না হওয়ায় অনেকে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে অবসরে যাচ্ছেন।
সমিতির মহাসচিব বলেন, ‘সম্প্রতি ৬৯০ জন শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়ার ক্ষেত্রে সমিতির দাবির প্রতিফলন ঘটেনি। যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি ব্যতীত আংশিক পদোন্নতি বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সমিতির সহসভাপতি মো. মামুল উল হক, সহসভাপতি ড. আ জ ম রুহুল কাদীর, যুগ্ম-মহাসচিব বিপুল চন্দ্র সরকার, প্রচারসচিব প্রফেসর মোহাম্মদ ফাতিহুল কাদীরসহ আরও অনেকে।