সেলিম আহমেদ
প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭:১৮ পিএম
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:০৮ পিএম
প্রতীকী ছবি
সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলোয় পড়ালেখার মান নিশ্চিত এবং বাণিজ্য বন্ধ করার লক্ষ্যে বিধিমালা জারি করতে চলেছে সরকার। এই বিধিমালা কার্যকর হলে ‘কিন্ডারগার্টেন স্কুলের’ পরিবর্তে ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিচালনা করতে হবে। যেকোনো সময় এই বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গেজেট প্রকাশের তিন মাসের মধ্যেই সব শর্ত পূরণ করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে প্রতিষ্ঠানগুলোকে। বাংলা-ইংরেজি সব মাধ্যমের স্কুলকেই এই বিধিমালা মেনে চলতে হবে।
বিধিমালা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কিন্ডারগার্টেন স্কুল পরিচালনা করতে হলে প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের জন্য বিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি ও স্থায়ী তহবিল থাকতে হবে। এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানে থাকতে হবে গ্রন্থাগার, বিশুদ্ধ পানি ও টয়লেট, শিক্ষাসফর, চিকিৎসা ও খেলার ব্যবস্থা। নিয়োগ করতে হবে যোগ্যতাসম্পন্ন পর্যাপ্ত শিক্ষক। বছর শেষেই করতে হবে আয়-ব্যয়ের অডিট।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিধিমালা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ের নামে বাণিজ্য ও নৈরাজ্য বন্ধ হবে। তবে সরকারের এই বিধিমালার অনেক কিছুর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করছেন কিন্ডারগার্টেনের উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, ‘বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে নয়, কিন্ডারগার্টেন নামেই তারা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে আগ্রহী। প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ, শিক্ষকদের যোগ্যতা, নিয়োগ কমিটি এবং স্থায়ী তহবিলের বিষয়গুলোও শিথিল করার পক্ষে তারা।
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ৫৩ হাজারের বেশি কিন্ডারগার্টেন ও সমমানের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এতে শিক্ষকের সংখ্যা ৬ লাখ, শিক্ষার্থী প্রায় ১ কোটি। বিধিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়া প্ঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানকারী নার্সারি, কিন্ডারগার্টেন, প্রিপারেটরি বিদ্যালয়সহ অন্যান্য সব বিদ্যালয়ের নাম হবে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বিধিমালাটি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে
প্রণীত বিধিমালা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কিন্ডারগার্টেনের নিবন্ধনের জন্য প্রথমেই উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে প্রাথমিক অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে হবে। প্রাথমিক আবেদনের জন্য বিভাগীয় শহরের বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা, জেলায় ৩ হাজার এবং উপজেলায় ২ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। শিক্ষা কর্মকর্তারা আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে পাঠদানের অনুমতির জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিইও) কাছে পাঠাবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সরেজমিন যাচাই-বাচাই করে প্রতিষ্ঠান
স্থাপন বা চলমান প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের চূড়ান্ত অনুমতি দেবেন। আবেদন করার ৬০ দিনের মধ্যে সব প্রক্রিয়া শেষ করে স্কুলের অনুমোদন দেওয়া হবে কিংবা বাতিল করা হবে। প্রাথমিক অনুমতির মেয়াদ হবে সনদ দেওয়ার পর থেকে এক বছর। এ মেয়াদ শেষ হলে নবায়নের আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। তদন্ত ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নবায়ন করা যাবে না।
প্রাথমিক অনুমোদনের পর নিতে হবে নিবন্ধন। শহরে প্রতিষ্ঠিত কিন্ডারগার্টেনের ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১৫ হাজার টাকা, জেলায় ১০ হাজার এবং উপজেলায় ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাঠদান অনুমতি পাওয়ার এক বছরের মধ্যে নিবন্ধন না নিলে অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে। আবার নিবন্ধনের মেয়াদ শেষে পুনরায় নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। কোনো স্কুলের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০ দিন আগেই দাখিল করতে হবে আবেদন। নবায়নের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। নতুন নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফির ৫০ শতাংশ দিতে হবে। কোনো কারণে নিবন্ধন বাতিল হলে ফের আবেদন করা যাবে।
অনুমোদন কিংবা নিবন্ধন পেতে কিন্ডারগার্টেনকে বেশকিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি, স্থায়ী তহবিল, পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের আলাদা কমন রুম, প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের আলাদা আলাদা রুম এবং শিক্ষার অন্যান্য অনুকূল পরিবেশ। মহানগর এলাকার প্রতিষ্ঠানের জন্য ন্যূনতম ৮ শতক, পৌরসভায় ১২ শতক এবং অন্য এলাকায় ৩০ শতক জমি থাকতে হবে। তবে নিজস্ব জমি বা ভবন না থাকলে প্রতিষ্ঠান জমি ও ভবন ভাড়া নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ভাড়ার পরিমাণ উল্লেখ করে নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে করা তিন বছর মেয়াদি চুক্তিপত্র থাকতে হবে।
প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য সংরক্ষিত ও সাধারণ নামে আলাদা দুটি তহবিল থাকতে হবে। এলাকা অনুযায়ী সংরক্ষিত তহবিল স্থায়ী আমানত বা সঞ্চয়পত্র আকারে থাকতে হবে। মেট্রোপলিটনে ১ লাখ, জেলায় ৭৫ হাজার, উপজেলা ও পৌরসভায় ৫০ হাজার এবং ইউনিয়নে ২৫ হাজার টাকার সংরক্ষিত তহবিল থাকতে হবে। ব্যবস্থাপনা কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া এ টাকা তোলা যাবে না।
অন্যদিকে সাধারণ তহবিলে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অনুদানের অর্থ থাকবে। সভাপতি ও সদস্য সচিবের যৌথ স্বাক্ষরে উভয় তহবিল পরিচালিত হবে। ব্যক্তির নামে বিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে উদ্যোক্তাকে ৫ লাখ টাকার স্থায়ী আমানত করতে হবে। সঞ্চয়পত্র, আমানত ও অনুদানের অর্থ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় ব্যয়ের পর অবশিষ্ট থাকলে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণে ব্যয় করা যাবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আয়-ব্যয়ের হিসাব-সংক্রান্ত পদ্ধতি নির্ধারণ করে দেবে।
নিবন্ধন নিতে হলে থাকতে হবে পর্যাপ্ত যোগ্য শিক্ষক। পঞ্চম শ্রেণির বিদ্যালয়ে কমপক্ষে ছয়জন শিক্ষক থাকতে হবে। এ ছাড়াও ৩০ জন শিক্ষার্থীর বিপরীতে একজন শিক্ষক নির্ধারণ করা হবে। শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মতোই থাকতে হবে। শিক্ষক নিয়োগে নির্দিষ্ট একটি বোর্ড থাকবে। এ বোর্ডে অবশ্যই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার একজন প্রতিনিধি থাকবেন। শিক্ষকের বেতন-ভাতা বহন করবে বিদ্যালয়।
স্কুল পরিচালনা করবে ব্যবস্থাপনা কমিটি
বিধিমালায় বলা হয়েছে স্কুল চালাবে ব্যবস্থাপনা কমিটি। প্রধান শিক্ষক, কর্মরত শিক্ষকদের একজন প্রতিনিধি, অভিভাবক প্রতিনিধি, প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে দুজন এবং কাছাকাছি অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এই কমিটিতে থাকবেন। একের অধিক প্রতিষ্ঠাতা না থাকলে ইউএনও বা ডিসির প্রতিনিধি থাকবেন। শিক্ষক, অভিভাবকসহ সব প্রতিনিধি নির্বাচনের দেখভাল করবেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
কমিটি গঠনের পর প্রথম সভায় প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধি বাদে বাকিদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রাথমিক শাখা থাকলে তার জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে। এ কমিটি ইউএনও বা ডিসি অনুমোদন দেবেন। ব্যবস্থাপনা কমিটির মেয়াদ হবে তিন বছর। কমিটিতে থানা শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষক ও একজন অভিভাবক প্রতিনিধি সদস্য থাকবেন। কমিটির বৈঠক স্কুলেই করতে হবে। প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি সভা হবে। কোরাম পূরণে তিনজন সদস্য আবশ্যক বিবেচিত হবে।
এই ব্যবস্থাপনা কমিটি পাঁচ ধরনের কাজ বাস্তবায়ন করবে। এগুলো হলোÑ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, তাদের বেতন-ভাতা নির্ধারণ, শৃঙ্খলার ব্যবস্থা, বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষার মান ও পরিবেশ উন্নয়ন। প্রতি দুই মাস পরপর অন্তত একটি সভা করতে হবে।
বিধিমালায় বলা হয়েছে, ব্যবস্থাপনা কমিটি উপজেলা বা থানা শিক্ষা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে টিউশন ফি নির্ধারণ করবে। ভর্তি নবায়ন বা পুনঃ ভর্তিতে অনুদান বাবদ কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না।
শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য ইচ্ছামতো বইও পাঠ্যভুক্ত করা যাবে না। বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদিত পাঠ্যবই অবশ্যই পড়াতে হবে। পাশাপাশি অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দুটি পাঠ্যবই পড়ানো যাবে। বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম থাকতে হবে।
যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা
কিন্ডারগার্টেনকে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে শনাক্ত করার তীব্র আপত্তি জানিয়ে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম খন্দকার বলেন, ‘সারা পৃথিবীতেই যুগ যুগ ধরে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান কিন্ডারগার্টেন হিসেবে পরিচিত। তাই এটিকে এই নামেই বহাল রাখতে হবে। তা ছাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আলাদা ক্যাটাগরিভুক্তÑ যা সরকার পরে জাতীয়করণ করে থাকে। আমরা কিন্ডারগার্টেন স্বাধীনভাবে চালিয়ে আসছি। এখন নাম পাল্টানো ও নানা শর্ত জুড়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। এত বড় সেক্টরকে ধ্বংস করে দেওয়াÑ এটা আমরা মেনে নেব না।’
তিনি বলেন, ‘নীতিমালার বিভিন্ন শর্তের সঙ্গে আমাদের দ্বিমত রয়েছে। আমরা জমির পরিমাণ, শিক্ষকদের যোগ্যতা, স্থায়ী আমানত কিংবা এফডিআরÑ এসব শর্ত শিথিল বা কমিয়ে আনার দাবি করছি। এ ছাড়াও নিয়োগ কমিটি পূর্বের মতোই রাখতে হবে, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে।’
কিন্ডারগার্টেন মালিকদের আরেক সংগঠন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মিজানুর রহমান সরকার বলেন, ‘সরকারের এই বিধিমালাকে স্বাগত জানাই। তবে কিছু শর্তে আমাদের আপত্তি রয়েছে। যেমন মহানগরের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে ৮ শতাংশ জমি থাকতে হবে। এ ছাড়া নিবন্ধনের জন্য এফডিআর করার টাকার পরিমাণ ৫০ হাজার করা হোক। ব্যক্তি নামে কিন্ডারগার্টেনের জন্য টাকার পরিমাণ ৫ লাখ থেকে কমিয়ে ৩ লাখ করা হোক।’
মিজানুর রহমান বলেন, ‘বিধিমালায় বলা হয়েছে ম্যানেজিং কমিটিতে কাছাকাছি অবস্থিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে রাখতে হবে। এখন কোনো কোনো ওয়ার্ড আছে, যেখানে ২০টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। তাহলে এগুলোর জন্য ২০ জন শিক্ষক পাব কই? আবার একজন শিক্ষক ২০টি প্রতিষ্ঠানে ২০ দিন মিটিং করলে তিনি নিজের ক্লাস নেবেন কখন? তাই আমাদের পরামর্শ, এই শর্তকে পরিমার্জন করে কমিটিতে একজন সরকারি কিংবা অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাখার বিধান সংযুক্ত করা হোক।’
জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান বলেন, ‘কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শৃঙ্খলার জন্য বিধিমালা খুবই জরুরি। তবে শুধু বিধিমালা করলে হবে না। তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে। মনিটরিং না করলে এসব বিধিমালায় কোনো কাজ হবে না।’
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ বলেন, ‘বিধিমালাটি পুরোপুরি চূড়ান্ত। আইন মন্ত্রণালয় থেকে এসআরও নম্বর পেলেই গেজেট জারি হবে। বিধিমালা জারির পর আমরা তিন মাস সময় দেব। এর মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে হবে। যারা আবেদন করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’