× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ঢাবিতে আবাসন সংকট

আন্দোলনের মুখে বাসভবনে ঢুকতে পারেননি উপাচার্য

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৩ ২২:২০ পিএম

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৩ ০০:১১ এএম

তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েত-মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো

তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েত-মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। প্রবা ফটো

দাবি পূরণের আশ্বাসে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে হলে ফিরে গেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হলে ফেরন তারা। এর আগে তিন দফা দাবিতে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা সেখানে তারা অবস্থান করেন। তখন উপাচার্য তার বাসভবনে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে শিক্ষর্থীরা হলে ফিরলে তিনি বাসায় প্রবেশ করেন। 

সোমবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে দাবি আদায়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন একদল শিক্ষার্থী। দুপুর তিনটার দিকে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল যান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নাজমুন নাহারের সঙ্গে দেখা করতে। আন্দোলনরত বাকি শিক্ষার্থীরা বৃষ্টি উপেক্ষা করেই বাসভবনের সামনে অবস্থান চালিয়ে যান। 

প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেও তাদের দাবি পূরণ না হলে বিকাল সাড়ে চারটার দিকে মিটিং শেষ করে ফের অবস্থানস্থলে ফিরে আসে প্রতিনিধি দল। সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করতে দুইজন হাউজ টিউটরও আসেন। তারা আন্দোলনরতদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থানের কথা জানানো হয়।

সন্ধ্যা সোয়া সাতটা নাগাদ উপাচার্যের কার্যালয়ে ডাকা হয় আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের। সেখানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারজন, তিনজন আবাসিক শিক্ষক ও একজন সহকারী প্রক্টরও ছিলেন। তবে সেখানে তাদের মূল দাবি ৩০০ শিক্ষার্থীকে অন্য হলে এক মাসের মধ্যে স্থানান্তরের দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা আবার এসে আন্দোলন চালিয়ে যান। এ সময় নিজ কার্যালয় থেকে বাসভবনে প্রবেশের জন্য গাড়ি নিয়ে আসেন উপাচার্য। প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাকসুদুর রহমান ও সহকারী প্রক্টর শিক্ষার্থীদের গেট ছাড়ার জন্য অনুরোধ করলেও অবস্থান ছাড়েননি তারা। ২০-২৫ মিনিট গাড়িতে অপেক্ষা করে আবার গাড়ি ঘুরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ভবনে কার্যালয়ে ফিরে যান উপাচার্য।  

শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, মৈত্রী হল থেকে অন্তত ৩০০ শিক্ষার্থীকে অন্য হলে এক মাসের মধ্যে স্থানান্তর করা, হলের আসন সংখ্যার সঙ্গে সমন্বয় রেখে শিক্ষার্থী অ্যালোট দেওয়া, মূলভবনের প্রতি রুমে ছয় শিক্ষার্থীর বেশি শিক্ষার্থী বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট না করা। 

আন্দোলরত শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘আমরা উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি আমাদের দাবির প্রেক্ষিতে বলেছেন, ৩০০ শিক্ষার্থীকে স্থানান্তরের সুযোগ নেই, প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে। তিনি পরবর্তী বছর বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের দাবি ছিল, বর্তমানে আমরা চতুর্থ বর্ষে পড়েও গণরুমে থাকছি। আমাদের ৩০০ জনকে যাতে স্থানান্তর করা হয়। প্রশাসনিক যে জটিলতার কথা উপাচার্য স্যার বলেছেন সেগুলো তারা তৈরি করেছেন। আমরা কেন তার ভুক্তভোগী হবো। জটিলতা থাকলে তার সমাধানও রয়েছে। তিনি এসব কথা বলে দায় এড়িয়ে গেছেন।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা