বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৩ ১৮:৫৭ পিএম
আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৩ ১৯:৩৭ পিএম
আটক শামীমা আক্তার। প্রবা ফটো
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তাকে গলায় আঘাত করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। তার দাবি, তাকে হত্যার চেষ্টা করেছেন ওই ব্যাংক কর্মকর্তা।
সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক ওই নারীর নাম শামীমা আক্তার। আহত ওই ব্যাংক কর্মকর্তার নাম মাইনুল ইসলাম। শামীমা নিজেকে মাইনুলের স্ত্রী বলে দাবি করেছেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আননূন যায়েদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রশাসনিক ভবনের পেছনে আমবাগানে মাইনুল নামের ব্যাংক কর্মকর্তার গলায় এক নারী ধারালো কিছু দিয়ে পোচ দিয়ে জখম করেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদরে পাঠানো হয়েছে। আটক শামীমাকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনে সঙ্গে সঙ্গে থানা-পুলিশকে জানিয়েছি। পুলিশ ওই নারীকে আটক করেছে। বিস্তারিত পুলিশ বলতে পারবে।’
আটক শামীমা আক্তার দাবি করেন, তিনি ব্যক্তিগত কারণে মাইনুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। মাইনুল ইসলাম তার স্বামী। বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তার সঙ্গে মাইনুলের বাগবিতণ্ডা হয়। মাইনুলের গলায় জখম করা হয়নি। মাইনুল তাকে জখম করে হত্যাচেষ্টা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল ৪টার দিকে প্রশাসন ভবনসংলগ্ন এলাকায় বাগবিতণ্ডায় জড়ায় শামীমা ও মাইনুল। কিছুক্ষণ পর মাইনুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝালচত্বরের সামনে বাঁচান বাঁচান বলে চিৎকার করতে থাকেন। মাইনুলের গলায় জখম দেখতে পেয়ে হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শামীমা প্রধান ফটক দিয়ে পালাতে গেলে স্থানীয়রা ধরে প্রশাসন ভবনে আটকে রাখে।