× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ভিসি ও ট্রেজারারের দুর্নীতির পাহাড়

সেলিম আহমেদ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৩ ১৩:৫৩ পিএম

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২৩ ১৩:৫৫ পিএম

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। প্রবা ফটো

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। প্রবা ফটো

এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাবেক স্বঘোষিত ভিসি আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেকের মতো তার দুই বন্ধু বর্তমান ভিসি ও ট্রেজারারের বিরুদ্ধেও রয়েছে অভিযোগের পাহাড়। সাবেক ভিসির কাছে থাকা চারটি বিলাসবহুল গাড়ি ফিরিয়ে না এনে তারা নতুন করে কিনেছেন আরও দুটি গাড়ি।

বর্তমান ভিসি অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি চাকরি করছেন এশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়েও। মাসিক ৫ লাখ টাকা বেতনের পাশাপাশি বছরে দুইবার বিদেশ যাওয়ার টিকিটসহ নানা সুবিধা নিচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ কোটি টাকা দামের ফ্ল্যাট থাকার পরও বাড়িভাড়া দেখিয়ে মাসে নেন আরও ৩০ হাজার। আর ট্রেজারার চুক্তিতে ৯০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি শুরু করলেও তিন মাসের মাথায় তা বাড়িয়ে করেছেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। শুধু তা-ই নয়, সাবেক ভিসি সাদেককে অধ্যাপক হিসেবে চাকরি দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা বেতনে।

অথচ বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যান্য অধ্যাপক বেতন পান ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। ভিসি ও ট্রেজারারের এমন ৩৯ খাতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ দিয়েছেন কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষক। এর আগে ইউজিসির তদন্তেও সাবেক ভিসি সাদেকের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা লুটসহ নানা অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ইউজিসির তদন্তের আলোকে মন্ত্রণালয় বেশ কিছু নির্দেশনা দিলেও তা মানা হয়নি। এ ছাড়াও সাদেক পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দুদক।

সম্প্রতি আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া অভিযোগ করা শিক্ষকরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এম. আনিছুর রহমান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের প্রধান ও কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহসিন উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. একেএম মহিব্বুল্লাহ, বিজনেস অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেহেনা সুলতানা বিপাশা। 

বর্তমান ভিসি-ট্রেজারারের গাড়িবিলাস

এশিয়ান ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি সাদেক পরিবারের কাছে এখনও চারটি গাড়ি থাকা সত্ত্বেও নতুন করে নিজেদের জন্য দুইটি গাড়ি কিনেছেন বর্তমান ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শাহজাহান খান এবং ট্রেজারার প্রফেসর নূরুল। গাড়ি দুইটির নম্বর যথাক্রমে ঢাকা মেট্রো ঘ-১৭৯৬৬১ এবং ঢাকা মেট্রো গ-৩৬৭৫৪৮। সাদেক পরিবারের কাছে থাকা চারটি গাড়ির মধ্যে দেড় কোটি টাকার একটি প্রাডো ঢাকা মেট্রো ঘ-১১৬৮৩৩, ৬০ লাখ টাকার একটি ১৪ সিটের বড় মাইক্রোবাস, ৭০ লাখ টাকার একটি ৫ সিটের কার (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৭১২৮৭, ৪০ লাখ টাকার ৫ সিটের আরেকটি (ঢাকা মেট্রো ২২-৫৫৫৭) কার। এই গাড়িগুলো সাদেক পরিবার নিজেদের অধীনে রেখে যথেচ্ছভাবে ব্যবহার এবং আনুষঙ্গিক খরচ দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা লোপাট করা হচ্ছে।

অভিযোগ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, প্রাডো গাড়িটি ক্রয় করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের জন্য, কিন্তু এক যুগ আগেই ভাইস চ্যান্সেলরের মেয়াদ শেষ হলেও তা বিশ্ববিদ্যালয়কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এখনও সাদেক নিজে ব্যবহার করে চলেছেন। বড় মাইক্রোবাস ক্রয় করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ব্যবহারের কথা বলে, কিন্তু সেটি কোনো দিনও শিক্ষকরা ব্যবহারের সুযোগ পাননি, এটি এখনও ব্যবহার করছে সাদেক পরিবার। আরেকটি ছোট (ঢাকা মেট্রো ২২-৫৫৫৭) কার ক্রয় করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনের কথা বলে, এটি ব্যবহার করছেন সালেহা সাদেক। অন্যটি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৭১২৮৭) কেনা হয় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দেখিয়ে। 

একসঙ্গে দুই চাকরি করেন বর্তমান ভিসি

বর্তমান ভিসি পদে শাহজাহান খান একই সঙ্গে দুই দেশের দুইটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছেন। এশিয়ান ছাড়াও তিনি অস্ট্রেলিয়ার সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ম্যাথমেটিকস ফিজিক্স অ্যান্ড কম্পিউটিংয়ের পরিসংখ্যান বিভাগে পূর্ণকালীন প্রফেসর হিসেবে কর্মরত। নিয়মিত তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইনে ক্লাস নেন। অস্ট্রেলিয়ার ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি কিংবা অবসর গ্রহণ ছাড়াই নতুন করে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব নেন। বেতন-ভাতা বাবদ প্রতি মাসে নেন ৫ লাখ টাকা।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরে সিন্ডিকেট সদস্য এসএম ইয়াসীন আলীর মালিকানাধীন আমার প্রোপার্টিজের কাছ থেকে ৩ কোটি টাকা মূল্যে ক্রয় করা দুটি ফ্ল্যাট থাকা সত্ত্বেও ভিসি শাহজাহান খান বাড়িভাড়া বাবদ নেন আরও ৩০ হাজার টাকা। আর ওই ফ্ল্যাট দুটির মাসিক ভাড়া যাচ্ছে সাবেক ভিসি সাদেকের পকেটে। 

লাখ টাকা বেতনে সাবেক ভিসি সাদেককে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ

বর্তমান ভিসি পদে শাহজাহান খান ও ট্রেজারার পদে নূরুল ইসলাম নিযুক্ত হওয়ার পর সাবেক ভিসি আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেককে রাতারাতি অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর এবং সোশ্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেওয়া নিয়োগে তার বেতন ধরা হয় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য প্রফেসর ও ডিনদের বেতন ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। নিয়মিত তিনি বেতন নিলেও কখনও ক্লাস নেন না আবার ক্যাম্পাসেও উপস্থিতি থাকেন না। 

ইউজিসির তদন্তে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনভাতা কম বলেও তথ্য এসেছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রভাষক পর্যায়ের একজন শিক্ষকের বেতন ছিল মাত্র ১৩ হাজার টাকা আর অধ্যাপক পর্যায়ে তা ছিল ১৯ হাজার থেকে ২৩ হাজার। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেতন বাড়িয়ে জাতীয় স্কেলের সমমান করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই নির্দেশও না মেনে ২০ শতাংশ বেতন বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার একেএম এনামুল হক। 

সাবেক ভিসি সাদেকের ব্যাক্তিগত কর্মচারী-স্বজনরাও বেতন পান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 

সাদেকের ব্যক্তিগত ড্রাইভার ইমাম হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী দেখিয়ে বেতনভাতা বাবদ ২২ হাজার টাকা, নরসিংদীর পীরপুর সাদেক দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল রফিকুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকা, নরসিংদীর পীরপুরে সাদেকের গ্রামের বাড়ির পাহারাদার রমজান মিয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী দেখিয়ে বেতনভাতা বাবদ মাসে ৮ হাজার টাকা, ট্রাস্টি সদস্য সালেহা সাদেকের গরুর খামার আশুলিয়ার কর্মচারী শফিকুল ইসলামকে কর্মচারী দেখিয়ে বেতনভাতা বাবদ মাসে ৮ হাজার টাকা, মামাতো ভাই সাদেকের ব্যক্তিগত সিকিউরিটি গার্ডকে ২২ হাজার টাকা, সাদেকের মতিঝিলের বাসার সিকিউরিটি গার্ড আবুল কালাম আজাদ, মশিউর রহমান, ঝাড়ুদার ইকবাল হোসেন, আঙ্গুর মিয়া, সাদেকের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান জাফর সাদেকের ব্যক্তিগত ড্রাইভার আব্দুল বারীকে বেতন দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে। এভাবে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকারও বেশি বেতনভাতা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

 তিন মাসের মাথায় বাড়ল ট্রেজারারের বেতন

বিগত এক যুগেও বাড়েনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন। অথচ ট্রেজারার প্রফেসর নূরুল ইসলামের চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে যোগদানের তিন মাসের মাথায় বেতন ২০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ৯০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি শুরু করে এখন তার বেতন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত কোনো প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর বেতনভাতা কিংবা অন্য কোনো সুবিধা বৃদ্ধি করতে হলে রাষ্ট্রপতি দপ্তরের অনুমোদন নেওয়া আবশ্যকীয়। কিন্তু ট্রেজারার প্রফেসর নূরুল ইসলামের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। 

বন্ধ হয়নি সনদ বাণিজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া অভিযোগে পাঁচ সিনিয়র শিক্ষক জোর দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের মাধ্যমে সার্টিফিকেট বাণিজ্য এখনও চলছে সীমাহীনভাবে। এ বিভাগের প্রধান ড. তাহমিনা আশরাফ ওরফে রিটা আশরাফের হাত দিয়ে হাজার হাজার সার্টিফিকেট চলে যাচ্ছে। সেমিস্টারে একজন শিক্ষকের সর্বোচ্চ ১২ থেকে ১৮ ক্রেডিট টিচিং অ্যাসাইনমেন্ট হয়, কিন্তু রিটা আশরাফ প্রতি সেমিস্টারে ৪৮ থেকে ৬০ ক্রেডিট পর্যন্ত টিচিং অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করেন। তিনি কোনো ক্লাস পরীক্ষা না নিয়ে টাকার বিনিময়ে রেজাল্ট জমা দেন। 

অন্য বিভাগগুলোতেও চলছে নীরবে সার্টিফিকেট বাণিজ্য। এ পর্যন্ত কতগুলো সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে এবং তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোথায়-কীভাবে ব্যয় করা হয়েছে, তা কেউ জানে না। সাম্প্রতিক সময়ের কয়েকটি সনদ বাণিজ্যের প্রমাণ তুলে ধরে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১০ সাল পর্যন্ত মূল ক্যাম্পাস ছাড়াও ১৮টি সেন্টারের মাধ্যমে সারা দেশে দূরশিক্ষণের নামে লক্ষাধিক সার্টিফিকেট বিক্রি করা হয়েছে। 

এ ছাড়াও করোনা মহামারির সুবিধাকে লুফে নিয়ে ড. সাদেক পরিবার সোমালিয়া, নাইজেরিয়াসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে অনলাইনে শিক্ষার নামে বিপুলসংখ্যক সার্টিফিকেট দেওয়ার চেষ্টা করছে। এরা কোনো ধরনের ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেও সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছে। 

আরও নানা পন্থায় টাকা আত্মসাৎ

ডিজিটাল যুগে হাতের নাগালে ব্যাংকিং সুবিধা থাকলেও টিউশন ফিসহ অন্যান্য টাকা উত্তোলন করা হয় হাতে হাতে। প্রতি মাসে শিক্ষক-কর্মচারীর প্রভিডেন্ট ও কল্যাণ ফান্ডের নামে লাখো টাকা বেতন থেকে কেটে রাখলেও নেই তার কোনো হিসাব। কোনো শিক্ষক-কর্মচারী চাকরি ছাড়লে কিংবা চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলেও দেওয়া হয় না এসব সুবিধা।

যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহজাহান খানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে যোগাযোগ করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহেল রহমানের সঙ্গে। সোহেল রহমান ভিসির কাছে প্রশ্ন পাঠালে ভিসির বক্তব্য সংগ্রহ করে দেবেন বলে জানান। কিন্তু ৭ জুলাই প্রশ্ন পাঠানো হলেও ৯ জুলাই বিকাল পর্যন্ত ভিসির বক্তব্য সংগ্রহ করে পাঠাননি তিনি। এমনকি ৯ জুলাই একাধিকবার ফোন করলেও সোহেল রহমান  ফোন ধরেননি। 

বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগে যেসব অনিয়ম-দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে, তা আমরা যোগদানের আগের। আর যে দুটি গাড়ি কেনার কথা বলা হয়েছে, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের মধ্যে থেকেই কিনেছি। আমার বেতন বাড়েনি।’ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে হলে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শও দেন তিনি। 

বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার একেএম এনামুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের কাছে অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা আর্থিক অনিয়ম নিয়ে বর্তামানে দুদক তদন্ত করছে। তাই অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তাধীন বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।’

সাবেক ভিসি সাদেককে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা বেতনে নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব।’

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা