ফেনী পলিটেকনিকে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ
ফেনী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:২৮ পিএম
আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৩ ১৩:৪৭ পিএম
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। প্রবা ফটো
ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়নি। ২০ মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো কমিটি গঠন করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। কবে নাগাদ প্রতিবেদন জমা হবে- সে বিষয়েও নিশ্চিত কিছু বলতে পারেননি তদন্ত কমিটির আহবায়ক পাওয়ার ডিপার্টমেন্টের চীফ ইনস্ট্রাক্টর ও এআইডিটি বিভাগের প্রধান ইখলাস উদ্দিন।
জানা যায়, গত ২ মার্চ ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের প্রধান ইনস্ট্রাক্টর জয়নাল আবদীনকে কমিটির প্রধান করে নয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল ইনস্টিটিউট প্রশাসন। কমিটিকে পরবর্তী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু জয়নাল আবদীন অসুস্থ হয়ে পড়ায় ২০ মার্চ ইখলাস উদ্দিনকে আহবায়ক করে কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। কমিটির অন্যরা হলেন- সদস্য সচিব ভারপ্রাপ্ত নিরাপত্তা কর্মকর্তা রফিক আহমদ, সাহাব উদ্দিন ছাত্রাবাসের সুপার ও মেকানিক্যাল বিভাগের চীফ ইনস্ট্রাক্টর ও বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও শাহীন ছাত্রাবাসের সুপার জিএম তাজ উদ্দিন ও কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল।
এ কমিটিকে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হলেও তদন্ত কার্যক্রমই শেষ হয়নি।
ইখলাস উদ্দিনের ভাষ্য, তদন্ত কার্যক্রম অনেক দূর এগিয়েছে। ঘটনার দিনের সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ, একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত কাজে তিনি ঢাকায় থাকায় কমিটির প্রতিবেদন জমা দিতে বিলম্ব হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী প্রদীপ্ত খিসা জানান, তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি। নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি খোঁজ নিবেন।
প্রসঙ্গত, গত ১ মার্চ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ইনস্টিটিউট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিশুসহ নয়জন আহত হন। এ ঘটনায় ছয় নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রলীগ।