বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৩ ১৭:৩২ পিএম
আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৩ ১৭:৪৩ পিএম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে টানানো ব্যানারে ঢাকা পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম। প্রবা ফটো
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনীর ব্যানার টানানো হয়েছে প্রধান ফটকে। এতে ব্যানারের নিচে চাপা পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। বইছে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড়।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘সাধারণ জ্ঞানের’ অভাবে প্রধান ফটকে ব্যানার টানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঢেকে ফেলা হয়েছে।
অনেকে বলছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নাকি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় এটিই এখন বোঝা যাচ্ছে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়ে গেছে বলেও ব্যঙ্গ করছে কেউ কেউ।
শনিবার (১৮ মার্চ) সরেজমিনে দেখা যায়, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পুনর্মিলনী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গা ব্যানারে ছেয়ে গেছে। প্রধান ফটকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের ওপরও টানানো হয়েছে ব্যানার। পাশে আরও তিনটি ব্যানার টানানোয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম চাপা পড়ে গেছে।
প্রধান ফটকের নাম ঢেকে যাওয়া কয়েকটি ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেক নেতিবাচক মন্তব্য করছেন বিষয়টি নিয়ে। তবে এ নিয়ে এখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মেহেদী হাসান শাকিল নামের এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে ডিগ্রি অর্জন করার পর অ্যালামনাইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় সবাই। আর সেই অ্যালামনাইয়ের পুনর্মিলনীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঢেকে দেওয়াটা স্বাভাবিক বিষয় না। এই দিকটি সবার খেয়াল রাখা উচিত।’
এই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে সোহাগ নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়ে গেছে। তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।’
একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যে ঘরে তামান্না সুলতানা নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘সব কিছুরই প্রচার প্রচারণা দরকার আছে। তবে তা যেন অসাবধানতার কারণে আরেকটি বিষয়ের ক্ষতি না হয়ে যায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ অ্যালামনাইয়ের এ কাজটি দেখে আমরা হতাশ। প্রধান ফটকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এখান দিয়ে অনেকেই যাচ্ছেন, এটা দেখছেন। একটা হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘ব্যানার খুলে ফেলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে লোক কাজে লেগে গেছে ব্যানার খুলতে।’
তবে প্রক্টরের এই বক্তব্যের দুই ঘণ্টা পরও ব্যানার আগের মতোই মূল ফটকে টানানো অবস্থায় দেখা যায়।