বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:৪৫ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৭:০৫ পিএম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি নির্বাচন। প্রবা ফটো
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন-২০২৩ বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে ভোটার রয়েছে ২১০ জন। ভোটাররা সশরীরে অথবা অনলাইনে যেকোনো মাধ্যমেই ভোট দিতে পারবেন।
গত কয়েক বছরের মতো এবারও নির্বাচনে কোনো প্যানেল দেয়নি বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। তবে নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন প্রকাশ্যে এসেছে। আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু নীল দলের অনুসারী শিক্ষকরা দুটি প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
নীল দলের দুই প্যানেলের একটির নেতৃত্বে আছেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. তপন কুমার সরকার এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রেজুয়ান আহমেদ শুভ্র (তপন-শুভ্র প্যানেল)।
অপর প্যানেলের নেতৃত্বে রয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রিয়াদ হাসান এবং বাংলাভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস (রিয়াদ-জান্নাত প্যানেল)।
দুই প্যানলের বাইরেও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক প্রণব কুমার মণ্ডল এবং ফোকলোর বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. বাকীবিল্লাহ।
দুই প্যানেল বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু নীল দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান বলেন, ‘নীল দলের সদস্য সংখ্যা এখন অনেক বেড়ে গেছে। নির্বাচনে শিক্ষকদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ থেকেই নীল দলের অনুসারীদের দুটি প্যানেল হয়েছে। আমরা এটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’
নির্বাচন বিষয়ে জানতে চাইলে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষকদের কোনো দাবি শিক্ষক সমিতিতে উপস্থাপন হয় না। তাই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না।’
নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও সাদা দলের শিক্ষকরা ভোট দেবেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভোট দেওয়ার বিষয়টি শিক্ষকদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।’
নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে দুই প্যানেলের প্রার্থীরাই আশাবাদী থাকলেও তাকিয়ে থাকতে হবে সাদা দলের ১০-১৫টি ভোটের দিকে। শেষ পর্যন্ত এই ভোটগুলো যেদিকে পড়বে সেই প্যানেলই জয়লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।