ইবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:৫১ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:৫২ পিএম
ইবির উপাচার্য কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন করছেন অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ নেতাকর্মী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা। প্রবা ফটো
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কণ্ঠসদৃশ কথোপকথনের অডিও ফাঁস হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃতীয় দিনের মতো আন্দেলন চলছে।
বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন করছেন অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ নেতাকর্মী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা।
সকাল ৯টার থেকে কার্যালয়ে আন্দোলনকারীদের ঐক্যবদ্ধ হতে দেখা যায়। এ সময় বিক্ষোভকারীদের উপাচার্যের অপসারণ চেয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
পরে বেলা সাড়ে ১২টায় উপাচার্যের পিএস আইয়ুব আলীর নির্দেশে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদের সভাপতি মিজান টিটু ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল জোয়ার্দার।
এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রক্টরিয়াল বডির নির্দেশে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা-পুলিশ।
এ বিষয়ে প্রক্টর শাহাদৎ হোসেন আজাদ জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে মিজান টিটু ও রাসেল জোয়ার্দারের সঙ্গে উপাচার্য মহোদয়ের সাক্ষাৎ চলমান। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে কোনো অরাজকতা সৃষ্টি হবে না।
এক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকতা বিভাগের একজন চাকরিপ্রার্থী ব্যক্তির কথোপকথনের বেশকিছু অডিও ফাঁস হয়। সেখানে উপাচার্যকে বলতে শোনা যায় টাকা দিয়ে হলেও দুইজন প্রার্থী সংগ্রহ করার কথা। এছাড়াও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন বিষয়ক আলাপন করতে শোনা যায়।
পরে আরও একটি আইডি থেকে বেশকিছু কথোপকথনের অডিও ফাঁস হয়। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকতা, কর্মচারী ও ছাত্রলীগ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা যায়। গতকাল রবিবার আবারও হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অডিও ফাঁস হয়, সেখানে তাকে নিয়োগ সংক্রান্ত কথা বলতে শোনা যায়।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান ইবি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
একটি অডিওতে ভিসি শেখ আবদুস সালাম ইবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের গুণ্ডা ও ডে-লেবার বলেছেন এমন অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভে নামেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়মিত চাকরি প্রত্যাশী নামে একটি সংগঠনের নেতারা।