বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৫:৫৯ পিএম
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:৩৯ পিএম
অডিও রেকর্ডিং ডিভাইসের খোঁজে সোমবার ইবি উপাচার্যের কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। প্রবা ফটো
অডিও রেকর্ড করার ডিভাইস খুঁজতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়েছে। সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই তল্লাশির সময় ইবি প্রশাসন, থানা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। ভিসি আবদুস সালামের অপসারণ দাবি করে অস্থায়ী চাকুরীজীবী পরিষদ দ্বিতীয় দফা আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পরপরই এই তল্লাশি অভিযান চালানো হলো।
তল্লাশির সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ, সহকারী প্রক্টর শফিকুল ইসলাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আননূর জায়েদ বিপ্লব, বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের প্রধান উপরেজিস্ট্রার শামছুল ইসলাম জোহা, নিরাপত্তা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম সেলিম ও গোয়েন্দা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার রাতে (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইবিতে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত একটি অডিও ফাঁস হয়। সেখানে উপাচার্যের কণ্ঠের সঙ্গে মিল আছে এমন কাউকে বলতে শোনা যায়, টাকা দিয়ে হলেও দুজন প্রার্থী সংগ্রহ করার কথা। এ ছাড়াও নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নবিষয়ক আলাপ করতে শোনা যায়। পরে আরও একটি ফেসবুক আইডি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রলীগ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করা অডিও ফাঁস হয়।
এ ঘটনায় সোমবার সকাল থেকে অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদ আন্দোলন শুরু করে। তারা উপাচার্যের বাসভবনের গেটেও তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা আন্দোলনরতদের সঙ্গে কথা বলেছি। চেষ্টা করেছি তাদের আন্দোলন থামানোর কিন্তু তারা থামেনি। পরে অস্থায়ী চাকরিজীবী পরিষদের আন্দোলনের বিরতিতে প্রায় আধাঘণ্টা উপাচার্য মহোদয়ের কক্ষে কোনো রেকর্ডিং ডিভাইস বা সদৃশ্য কিছু আছে কি না তা খুঁজেছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রায় আধাঘণ্টা তল্লাশির পরও আমরা রুমে কিছু পাইনি। এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা পেলে আবারও সন্দেহভাজন জায়গাতে তল্লাশি পরিচালনা করব।’
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি ফোন ধরেননি।