গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:২৪ পিএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬:৫২ পিএম
শৌচাগারে রাখায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। প্রবা ফটো
গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ‘অর্থ ও হিসাব’ দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বস্তায় ভরে ফেলে রাখা হয়েছে শৌচাগারে। ফলে পানিতে ভিজে নষ্ট নচ্ছে এসব নথিপত্র।
কক্ষ সংকটের কারণে নথিপত্রগুলো শৌচাগারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অর্থ ও হিসাব’ দপ্তরের ২৬ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য রয়েছে মাত্র ৪টি কক্ষ। এই দপ্তরের নথিপত্র সংরক্ষণে আলাদা কোনো কক্ষ নেই। ফলে বস্তায় ভরে ভাউচার ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র শৌচাগারে ফেলে রাখা হয়েছে। শৌচাগারে রাখায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এই দপ্তরে অফিস কক্ষ ও সংরক্ষণাগারের সংকটের কারণে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। কক্ষের সুষ্ঠু বণ্টনের দাবিতে রবিবার (২২ জানুয়ারি) কর্মবিরতি পালন করেন তারা।
এ বিষয়ে হিসাবরক্ষণ দপ্তরের সহকারী পরিচালক ওয়ালিদ মিয়া বলেন, ‘২৬ জন স্টাফের জন্য মাত্র ৪টি কক্ষ থাকায় গাদাগাদি করে ও অন্য দপ্তরের সঙ্গে শেয়ার করে অফিস করতে হয় আমাদের। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাউচার ও নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য কক্ষ থাকলেও বশেমুরবিপ্রবিতে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র রাখতে হয় ওয়াশরুমের ভেতরে। ফলে পানিতে ও বিভিন্ন কারণে ভাউচারসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’
‘দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দেওয়া হলেও কক্ষ বরাদ্দ নিয়ে কর্তৃপক্ষ তালবাহানা করায় বাধ্য হয়ে আমরা কর্মবিরতি কর্মসূচি দিয়েছি’ বলেন তিনি।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার মো. দলিলুর রহমান বলেন, কর্মকর্তারা ফের কাজে যোগ দিয়েছেন। উপাচার্য স্যার একটা কমিটি করে দিয়েছেন। তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করে সিদ্ধান্ত নেবেন।