জবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১০:৫৯ এএম
আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:১৪ এএম
ফাইল ফটো
গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে আগের সব প্রক্রিয়া বহাল থাকছে। রিটকারী শিক্ষার্থীরা বিশেষ প্রক্রিয়ায় ভর্তির সুযোগ পাবে। তাদের ভর্তির পরে সপ্তম মেধা তালিকার শিক্ষার্থীরা বিষয় পাবে বলে জানানো হয় এক সভায়।
গুচ্ছ কমিটির উপাচার্যদের মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।
গুচ্ছ কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, সপ্তম মেধাতালিকায় স্থান পাওয়াদের ভর্তি আইনি কারণে বাতিল হবে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের অল্প কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি হতে বাকি আছে তারা চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়ায় এটা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। মাইগ্রেশনে কোনো শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তন হলে চাহিদা অনুযায়ী ফি দিতে হবে। তবে যারা প্রাথমিক ফি দিয়েছে তাদের নতুন করে ফি দিতে হবে না।
তবে এখনও ভর্তি বাতিলের বিষয়ে ফি নির্ধারণ করা হয়নি। সব বিষয় নিয়ে পরে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর রুবেল মিয়া, সাকিব আহমেদ ও আলভী নামে তিন শিক্ষার্থী গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে মাইগ্রেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।
শিক্ষা সচিব ও গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের রিটে বিবাদী করা হয়। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট আবেদন করা হয়।
পরে শুনানি শেষে ২৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে মাইগ্রেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে রিট আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে মাইগ্রেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে আদালত। ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
গুচ্ছে ভর্তির ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ মেধাতালিকা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ মাইগ্রেশন চালু ছিল। তবে সপ্তম মেধাতালিকা প্রকাশের পর প্রাথমিকভাবে ভর্তি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
ভর্তি কমিটির এ সিদ্ধান্তের কারণে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আসন ফাঁকা থাকলেও শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারছেন না। মাইগ্রেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েন।