প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৪৩ পিএম
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৪৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি
কারিগরি শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশের লক্ষে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫’-এর ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১৪টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২৬ জন নির্বাচিত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তারা মোট ৪২টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। বিচারকদের মূল্যায়নের মাধ্যমে সেরা তিনটি উদ্ভাবনী প্রকল্পকে আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পর্বের প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন Accelerating and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সামসুর রহমান খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পিআইডব্লিউ) ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক (উপসচিব) সেঁজুতি ধর।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।
এ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম। এছাড়া ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. কেপায়েত উল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতা উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিষয়ক সেমিনার এবং দিনশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত এই প্রতিযোগিতা উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন ২০২৫’-এর প্রাতিষ্ঠানিক পর্ব গত ২৭ সেপ্টেম্বর সারাদেশের ২১১টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী ৩ হাজার ২০৯টি উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন করেন। সেখান থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিনটি করে প্রকল্প আঞ্চলিক পর্বে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়। আগামী ২৭ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও চূড়ান্ত পর্বে দেশের আটটি অঞ্চল থেকে নির্বাচিত মোট ৫০টি উদ্ভাবনী প্রকল্প অংশ নেবে। চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী তিনটি প্রকল্পের উদ্ভাবকদের আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে।