বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:১৪ পিএম
আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:২৮ পিএম
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের উদ্ভাবিত ডাক প্লেগ ভ্যাকসিনের সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদের মেডিসিন কনফারেন্স কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ডেভেলপমেন্ট অব লো কস্ট ইনঅ্যাক্টিভেটেড এবং লাইভ অ্যাটেনিউয়েটেড ডাক প্লেগ ভ্যাকসিন ইউজিং লোকাল ডাক প্লেগ ভাইরাস প্রকল্পের আওতায় মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ ছিলেন কৃষি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. মাসুম আহমাদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. হাম্মাদুর রহমান, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) চিফ টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রাণিসম্পদ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন ড. বাহানুর রহমান বলেন, প্রচলিত ডাক কলেরা ও ফাউল পক্স ভ্যাকসিন ব্যবহারের পরও হাঁসের মধ্যে ৩০-৪০ শতাংশ থেকে শুরু করে কখনও ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মৃত্যুহার (মর্টালিটি) দেখা গেছে, যা একটি নতুন ও কার্যকর ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্ট করে। ডিএলএ’র অর্থায়নে ২০২৩ সালের ৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ভ্যাকসিন উন্নয়ন প্রকল্পটি মূলত ২০২৬ সালের ৬ মার্চ পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।
বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. একে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের লাইভস্টক সেক্টরের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন দুটি বিষয়Ñ প্রজনন এবং ভ্যাকসিন। দুঃখজনকভাবে এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ খাতেই সরকারের বিনিয়োগ এখনও খুবই সীমিত। অথচ যদি প্রজনন ও ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে আমাদের পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকত, তাহলে লাইভস্টক সেক্টরকে রপ্তানিমুখী করা সম্ভব হতো। এই ভ্যাকসিনটি দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে প্রভূত উন্নতি ও নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।