১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৫ ০০:৫২ এএম
দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ-বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জন প্রার্থীর নিয়োগসহ দুই দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
রবিবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন খোরশেদ আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুপারিশ-বঞ্চিত হাফিজুল ইসলাম, নিপা আক্তার, সৈকত, মো. আক্তারুজ্জামান, শিরিনা আক্তার, ইমরান হোসেন, রোকনুজ্জামান, সুলতানাসহ প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে চাকরিপ্রার্থীরা জানান, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ও সুপারিশ-বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জন প্রার্থী দীর্ঘ সময় ধরে নিয়োগের দাবিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করে এসেছি। আমরা ন্যায্য দাবিগুলো তুলে ধরে এনটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেছি। শিক্ষা উপদেষ্টা, শিক্ষা সচিব, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান সঙ্গে একাধিকবার মিটিং করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সর্বোচ্চ ইতিবাচক বার্তা পেলেও এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ থেকে প্রথম দিকে ইতিবাচক বার্তা না পাওয়ায় আন্দোলন অব্যাহত রেখেছিলাম।
সর্বশেষ গত ১৩ অক্টোবর এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেনে নিয়ে সুপারিশ-বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ প্রার্থীর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগের ঘোষণা দেয়। এজন্য এই সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানাই।
লিখিত বক্তব্যে দেশে হাজারো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন তীব্র শিক্ষক সংকট চলছে উল্লেখ করে খোরশেদ আলম বলেন, একটি হিসাব অনুযায়ী ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এ অবস্থায় শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। বর্তমানে এসএসসি এবং এইচএসসি রেজাল্ট খারাপ হওয়ার পেছনে যোগ্য শিক্ষক ঘাটতি প্রমাণ করে। শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতা। এটি জাতির শিক্ষার মানোন্নয়নের সঙ্গেও জড়িত। আমরা শিক্ষক নিয়োগ সংশ্লিষ্ট সব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব আমাদের যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রদান করুন।
সুপারিশপ্রাপ্ত নিয়োগ প্রত্যাশীদের দুই দাবি হলো- চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শূন্য পদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশ-বঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জনকে নিয়োগ দিতে হবে।
আর নীতিমালা পরিবর্তনের পূর্বে সুপারিশ-বঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগের লক্ষ্যে বিষয়ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বাধা তুলে দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শূন্য পদ যুক্ত করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সবাইকে নিয়োগ দিতে হবে।