নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:১৪ পিএম
আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ১৯:২২ পিএম
‘তোমরা আজকে গর্বিত গ্র্যাজুয়েটস। তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছেন নিজেদের বাবা-মাসহ দেশ ও জাতি, তাই সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। তোমরা সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে এসেছ। যারা তোমাদের শিক্ষাদান করলেন তাদের কথা মনে রেখ।’
শনিবার (১৮ অক্টোবর) নগরীর বেলস পার্কে অনুষ্ঠিত বরিশালের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের (ইউজিভি) প্রথম সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ।
বরিশাল বিভাগে এই প্রথম কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন করল। এই আয়োজনে তিন হাজারেরও অধিক সাবেক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
অধ্যাপক ড. এসএমএ ফায়েজ আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের এই বয়সে শিক্ষকরা একদিন ছিলেন। তাই তারা জানেন এই সময়ে শিক্ষার্থীদের মনের মধ্যে কত চঞ্চলতা-অস্থিরতা কাজ করে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের তো সেই বয়সটা ছিল না, যে বয়সটা আজকে শিক্ষকরা পার করছেন। এই গ্যাপটা শিক্ষককে দূর করতে হবে।
ড. ফায়েজ শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষার্থীদের সম্মানের চোখে দেখতে হবে। তাদের চাহিদা কী তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে একজন শিক্ষককে। শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সচেতন। তারা আপনাদের পর্যবেক্ষণ করে, তারা বুঝতে পারে আপনি প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে যাচ্ছেন নাকি যাচ্ছেন না।
আয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. সাহাবুদ্দিনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ। এ ছাড়াও সমাবর্তন বক্তা ছিলেন, পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ইউজিভির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল বাকী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল আজিজ, বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলম, ইউজিভি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. ইমরান চৌধুরী, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. রাবেয়া বেগম, সমাবর্তনের আহ্বায়ক ইউজিভির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. ফরিদ আহমেদ।
ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের উপাচার্য ড প্রফেসর ড. আবদুল বাকি বলেন, ইউজিভির প্রথম সমাবর্তন আমাদের প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে এক মাইলফলক তৈরি করেছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম, সাফল্য ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দিয়েছি। তাদের জ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধ দিয়ে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনাই আমাদের লক্ষ্য।