বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ অক্টোবর ২০২৫ ০১:১৩ এএম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ড. হোসেন জিল্লুর। প্রবা ফটো
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ব্র্যাকের চেয়ারপারসন অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেছেন, প্রতিষ্ঠার পর প্রথম ১৫ বছর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। তবে বর্তমান সময়ে প্রতিষ্ঠানটি নতুন করে পুনর্জাগরণের পথে রয়েছে।
তিনি বলেন, এখন বিশ্ববিদ্যালয়টিকে উন্নতমানের জ্ঞানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন প্রশাসন, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং সামাজিক সহায়তার প্ল্যাটফর্মগুলোর যৌথ উদ্যোগ।
রবিবার (১২ অক্টোবর) রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ড, হোসেন জিল্লুর।
শিক্ষাবান্ধব মানসিকতার শিক্ষক-শিক্ষার্থীর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অবকাঠামোগত ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রকৃতিবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে নব উদ্যমে এগিয়ে নেওয়ার যাত্রায় সংযুক্ত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়টি উত্তরবঙ্গ তথা দেশের মধ্যে উন্নত জ্ঞানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে আগামীতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিষ্ঠাকালীন ‘রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ’ এর আহবায়ক শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. রেজাউল হক বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উত্তরবঙ্গের নয়, বরং গোটা দেশের উচ্চশিক্ষা বিকাশের এক উজ্জ্বল প্রতীক। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিল একটি দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের ইতিহাস, যা উত্তরবঙ্গের মানুষের শিক্ষা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘শিক্ষা, গবেষণা ও বিপ্লবের চেতনায় দীপ্ত হোক- বেরোবির আগামী’ শীর্ষক স্লোগানে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা। এরপর ক্যাম্পাসে বর্ণিল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিকালে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যায় স্বাধীনতা স্মারক মাঠে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।