বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৯:০৭ পিএম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাডেমিক ও প্রশাসনিক নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ১৯ জন শিক্ষক ও ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একাডেমিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত পৃথক দুইটি তদন্ত কমিটি থেকে এসব শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তাদেরকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়। শোকজে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতিসংক্রান্ত তদন্ত কমিটি, একাডেমিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি ও বিভিন্ন সময়ে ক্যাম্পাসে সংঘটিত ঘটনার তথ্য যাচাই-বাছাইসংক্রান্ত পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, এম জাকির হোসেন খান ও অধ্যাপক আকতার হোসেন মজুমদার সমন্বয়ে কামিটি এই কারণ দর্শানো নোটিশ দেন।
একাডেমিক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে শোকজকৃত শিক্ষকরা হলেন- ফোকলোর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোহাম্মদ মেহেদী উল্লাহ, থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মুশফিকুর রহমান, সঙ্গীত বিভাগের ড. জাহিদুল কবীর, ড. মুশাররাত শবনম, থিয়েটার এন্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুসরাত শারমিন তানিয়া, সহযোগী অধ্যাপক কামাল উদ্দীন, চারুকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নগরবাসী বর্মণ (পার্থ), সহযোগী অধ্যাপক মাসুম হাওলাদার, দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান তারিফুল ইসলাম, প্রভাষক খাইরুল ইসলাম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক মার্জিয়া আক্তার, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা, হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক মোল্লা আমিনুল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অন্তরা মাহবুব, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাবউদ্দিন, অধ্যাপক ড. মাহবুব হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম আল মামুন, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা খানম এবং ফিল্ম এন্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তুহিনুর রহমান(তুহিন অবন্ত)।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মিজানুর রহমান বলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং প্রাথমিকভাবে তথ্য–প্রমাণ মিলেছে তাঁদেরকে সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে শোকজ করা হয়েছে।