বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৬:২৫ পিএম
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৬:৩৬ পিএম
‘সংশপ্তক পর্ষদ’ প্যানেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সোহাগী সামিয়া। প্রবা ফটো
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ প্যানেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) প্রার্থী সোহাগী সামিয়া।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ -এর ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা আশা করেছিলাম জাকসু নির্বাচনে সবাই আচরণবিধি মেনে প্রচারণা চালাবে। কিন্তু প্রার্থীদের অনেকেই আচরণবিধি ভঙ্গ করে মাদক এবং বিরিয়ানির প্যাকেট বিলি করছেন। নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি হচ্ছে । টাকা দিয়ে অনেকেই ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছে, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। গত ৫ আগস্টের পূর্বের নির্বাচনগুলোর মতোই অনিয়মের চিত্র আমরা আবারও দেখতে পাচ্ছি।
এ সময় ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ তাদের ১৩ দফা ইশতেহার ঘোষণা করে। এর মধ্যে রয়েছে- সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও হল দখলমুক্ত গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস গড়তে শিক্ষার্থী আচরণবিধি আধুনিকায়ন ও হল মনিটরিং সেল গঠন; বিভাগ উন্নয়ন ফি ও বিভিন্ন নামে-বেনামে ফি বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালু সন্ধ্যাকালীন কোর্স বন্ধ; প্রশাসনিক স্বৈরতন্ত্র রোধ ও শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু; পরিবেশ রক্ষায় অবিলম্বে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন; চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি; নতুন হল সংস্কার এবং প্রত্যেক হলে দ্রুতগতির ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিতকরণ; পূর্ণাঙ্গ ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নিয়োগ; ডাইনিং, ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ায় ভর্তুকি দিয়ে খাবারের মান উন্নয়ন; টেকসই ও স্বল্পভাড়ার অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থা চালু; বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট আসন ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বিভাগভিত্তিক শ্রুতি লেখক নিয়োগ; ক্যাম্পাসকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উপযোগী অবকাঠামোতে রূপান্তর; সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে প্রশাসনের উদ্যোগে বিধিমালা প্রণয়ন; ৭৩-এর অধ্যাদেশের অসম্পূর্ণতা দূরীকরণ; একাডেমিক ক্যালেন্ডার বাস্তবায়ন ও জাকসুকে ক্যালেন্ডারের অন্তর্ভুক্ত করা এবং সর্বনিম্ন ৬০ শতাংশ উপস্থিতির শর্ত বাতিল করে উপস্থিতি হারে নম্বর প্রদান পদ্ধতি চালু।